আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৯ জুন:
ভাটপাড়ায় বোমার আঘাতে মৃত অনুরাগ সাউয়ের পরিবারকে ও শহিদ দলীয় কর্মী মিলন হালদারে পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দান করলেন ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং ও সাংসদ অর্জুন সিং।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনের আগে রাজ্যের ভোট আবহে ভাটাপাড়ায় ব্যাপক বোমাবাজি শুরু হয়। দুষ্কৃতীদের বোমাবাজিতে ভাটপাড়ায় মৃত্যু হয় এক ছাত্রের। মৃত ছাত্রের নাম অনুরাগ সাউ। ভাটাপাড়ায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মতিভবন এলাকার ঘটনা। গভীর রাতের সেই বোমাবাজির ঘটনায় প্রাণ হারান ১৯ বছর বয়সের অনুরাগ। বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র অনুরাগ সাউ। সেই ঘটনার পর ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় গোটা ভাটপাড়া জগদ্দল অঞ্চলে। ঘটনায় কয়েক জন অভিযুক্তকে আটক করে ভাটপাড়া থানার পুলিশ।

বিধায়ক জানান, ওই ছাত্রের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক ছিল না। পরিবারের একমাত্র ছেলে চলে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ ও অসহায় পরিবারকে তিনি আর্থিক সাহায্য করলেন। একই সাথে তিনি পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তোলেন। আজ ভারতীয় জনতা পার্টির ভাটপাড়ার প্রধান কার্যালয় মজদুর ভবনে তিনি পরিবারের হাতে কয়েক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন।
অপর দিকে ২০২০ সালের দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন বাড়ির কাছেই বিজেপি কর্মী মিলন হালদার আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিন দিন বাদে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। জগদ্দল থানার কাউগাছি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ নম্বর সংসদের চন্ডীতলা ব্রাহ্মণ পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। অভিযোগ উঠেছিল, স্থানীয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছিলেন মিলন। সেইসময় সাংসদ অর্জুন সিং ও লকেট চ্যাটার্জি মৃতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছিলেন। শনিবার সাংসদ অর্জুন সিং নিহতের স্ত্রী রত্না হালদারের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য সম্পাদিকা ফাল্গুনী পাত্র ও ব্যারকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।

