পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২২ মার্চ: রবিবার খড়্গপুরের ভারত সেবাশ্রম সংঘের বার্ষিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন খড়্গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। এদিন অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক ইস্যু নিয়ে শাসক দলকে নিশানা দাগেন তিনি।

ভবানীপুরে মমতার বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা ভবানীপুরে হুক করে দিয়েছি। ভেবেছিলেন ৪৫ হাজার ভুয়ো ভোট দিয়ে জিতে যাবেন, মা গুন্ডা ভেবেছিলেন পুলিশ দিয়ে ভোটে জিতে যাবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই সমস্ত পুলিশ কর্মীদের ভালোভাবে রগড়াচ্ছে। জনতা সাহসের সাথে বেরিয়ে এসে ভোট দেবে। এত সহজ হবে না মমতা ব্যানার্জির জন্য।
সোমবার প্রকাশিত হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা যেটা বলেছি এক কোটি বা ১ কোটির বেশি নাম্বার যাবে সেই দিকেই যাচ্ছে।ভেরিফিকেশন হলেই বুঝতে পারা যাবে।
কোথাও কোন গোলমাল হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের কমিশনের নির্দেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরাও চাই বাহিনীকে ব্যবহার করা হোক, কিন্তু হচ্ছে কোথায়? শ্যামনগরে গন্ডগোল হলো, কলকাতায় মন্ত্রী নিজে আক্রমণ করল আমাদের ওপর। আমাদের কর্মীরা বাধ্য হয়ে প্রতিরোধ করেছে। এ ধরনের পরিস্থিতি কেন তৈরি হবে?

বাহিনীর বিরুদ্ধে এক ঘন্টা দেরিতে পৌঁছানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, বাহিনীকে আটকে রাখা হচ্ছে। কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
মিনখাঁয় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমাজ বিরোধীদের নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের এরকমই হয়।
কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে এদিনের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা অপেক্ষা করছি বাহিনী যেন বসে না থাকে, ঠিক সময় যেন ঠিক জায়গায় যায়। পুলিশ সেন্ট্রাল ফোর্সকে অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দেয়। যারা অবজারভার এসেছেন তারা যেন এটা নজর রাখেন।
আরো বাহিনী আসছে বাংলায়, এনিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে শান্তিপূর্ণ ভোট করাবে বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গের যে বদনাম আছে সেটা যেন আর না হয়।
মুর্শিদাবাদের সব থেকে বেশি বাহিনীকে ব্যবহার করা প্রসঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, মুর্শিদাবাদ সারা ভারতবর্ষের ব্ল্যাকস্পট। অনুপ্রবেশকারীরা, রোহিঙ্গারা ওখান থেকে ঢুকে আইকার্ড করে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

