মোদীর কূটনৈতিক শক্তির জয়, ভারতীয়দের সরিয়ে নিতে ৬ ঘন্টা হামলা বন্ধ রাখল রাশিয়া, উচ্ছ্বসিত প্রশংসা নেটিজেনদের

আমাদের ভারত, ৩ মার্চ: ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার ভারতীয়। তাদের উদ্ধারে নিরন্তর কাজ করছে মোদী সরকার। রাশিয়ার সাথে এই বিষয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে। এরপরই গতকাল রাতে ইউক্রেনের খারকিভে আটকেপড়া ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য ছয় ঘণ্টা হামলা বন্ধ রাখে রাশিয়া। ফলে সেখান থেকে ভারতীয়রা নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারে। রাশিয়ার এই ছয় ঘন্টার যুদ্ধ বিরতিকে ভারতের কূটনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রচেষ্টার একটি বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

খবর বলছে, ওই সময় কোনওরকম হামলা চালায়নি রাশিয়া। ভারতের আবেদনেই রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের মধ্যে এই বিরতি সম্ভব হয়েছে। আর ওই সময়ের মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ভারতীয়দের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলেছে।

গতকাল রাতে রুশ রাষ্ট্রপতি পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারের সাহায্য চেয়ে ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এরপর ছয় ঘন্টার জন্য খারকিভে হামলা বন্ধ রাখে রাশিয়া। খবরে বলা হয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে নটা থেকে হামলা বন্ধ করা হয়। রাশিয়ার এই সিদ্ধান্তের পর ভারতের শক্তি নিয়ে উচ্ছ্বসিত নেটিজেনরা।

তাদের মতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আর মোদী সরকারের শক্তি দেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া। অনেকে বলেছে, খারকিভে সর্বাত্মক আক্রমণ শুরুর আগে সমস্ত ভারতীয়কে সেখান থেকে বের করে আনার জন্য রাশিয়া গতরাতে ছয় ঘন্টার জন্য যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছে। কেউ লিখেছেন, “একটু ভাবুন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকা বা চিন তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নিতে অসহায়। কিন্তু ভারত খারকিভে ৬ ঘন্টা যুদ্ধ থামাতে সফল। আশা করছি শিক্ষার্থীদের বের করে আনা হবে।” একজন লিখেছেন “ভারত ছয়ঘন্টার জন্য খারকিভে যুদ্ধ থামাতে পেরেছে”। কেউ লিখেছেন, “ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি দেখুন, যখন চিন, আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশগুলো ইউক্রেনের প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছে সেখানে ভারত তার ৬০% নাগরিককে সরিয়ে নিতে পেরেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ৬ ঘণ্টা যুদ্ধ থামাতে সফল হয়েছেন। এটাই মোদীজির শক্তি”।
https://twitter.com/eOrganiser/status/1499107356143386624?t=L7kJBW7H05UzVg12zd5bkg&s=08

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *