কাশী বিশ্বনাথ করিডোর নির্মানকর্মীদের সঙ্গে বসে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন প্রধানমন্ত্রী

আমাদের ভারত, ১৩ ডিসেম্বর:যাদের হাত ধরে কাশী বিশ্বনাথ করিডোর তৈরি হয়েছে তাদের সঙ্গে বসে আজ মধ্যাহ্নভোজ সারেন প্রধানমন্ত্রী। করোনা কালেও কাজ না থামিয়ে একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করেছেন শ্রমিকরা। সেই সব নির্মানকর্মীদের উপর পুষ্পবৃষ্টি করেন মোদী। হাত জোড় করে ধন্যবাদ জানান সবাইকে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ বিকেলে টুইট করেছেন, “শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম প্রকল্পের সাফল্যের পেছনে রয়েছে অগণিত ব্যক্তির কঠোর পরিশ্রম। আজকের অনুষ্ঠান চলাকালীন আমি তাদের সম্মান জানানোর এবং তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ খাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। ভারত মাতার এই গর্বিত সন্তানদের আমার প্রণাম।”

মোদী বলেন, বাবা বিশ্বনাথের ইচ্ছেতে কাশী তৈরি হয়েছে। ওনার ইচ্ছা ছাড়া এখানে একটা পাতাও নড়ে না। এই করিডোর ওনার ইচ্ছাতে তৈরি হয়েছে। করোনাকালেও শ্রমিকরা এই করিডরের কাজ শেষ করার জন্য মারাত্মক পরিশ্রম করেছেন। তাই তাদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি যখন বারাণসীতে এসেছিলাম তখন মানুষের উপর আস্থা রেখে ছিলাম। নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েও উন্নয়নের কাজ থেমে থাকেনি। করোনাকালেও করিডরের তৈরির কাজ হয়েছে। সেই কারণে আমি শ্রমিকদের বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই”।

তিনি বলেন, কাশী যুগ যুগ ধরে নানা পরিবর্তন দেখেছে। বিভিন্ন সময় ঔরঙ্গজেব থেকে ব্রিটিশ শাসক,সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের মুখে পড়েছে। তবু কাশীর উন্নয়ন থেমে থাকেনি। আজ উন্নয়ন উৎকর্ষের আরো একধাপ এগিয়ে গেল কাশী।

মোদী বলেন, “বিগত সাত বছর ধরে কাশিতে যে উন্নয়নের মহাযজ্ঞ চলছিল তার প্রথম ধাপ পূরণ হলো।” তিনি বলেন, ২০০-২৫০ বছর আগে কাশী সংস্কারের কাজ হয়েছিল তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারের এত কাজ হল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অন্তরাত্মার বাস এই কাশীতে। কাশী কেবল পূর্ব ও উত্তর ভারতকে জুড়ে দিয়েছে তা নয়। বরং ভারতের অন্তরআত্মা কাশীতে বসবাস করে। আপনারাই ভাবুন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির যখন ভাঙ্গা হয়েছিল তখন অহল্যা বাঈ ফের এই মন্দিরের নির্মাণ করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা অহল্যা বাঈ বিশ্বনাথের টানে এখানে এসেছিলেন এটাই কাশীর মাহাত্ম্য।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *