হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলেও মোদী ঝড়, মাত্র ২৪ ঘন্টায় ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়ালো ১০ লাখ

আমাদের ভারত, ২১ সেপ্টেম্বর: মোদীর জনপ্রিয়তার ম্যাজিক অব্যাহত। হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলে আত্মপ্রকাশ করতে না করতেই ফলোয়ারের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লক্ষ ৩৮৬।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে পদ্ম শিবির যে পাকাপোক্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। লোকসভা নির্বাচনের আগে এবার মোদী যোগ দিয়েছেন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে। গণেশ চতুর্থীর দিন শুরু হয়েছে মোদীর এই নতুন যাত্রা। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছে সমাজ মাধ্যমকে ব্যবহার করে প্রচার চালিয়েছিল বিজেপি। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে সেটাকে আরো খানিকটা বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেই এগোচ্ছে পদ্ম শিবির। ফেসবুক বা এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বার্তা দেন মোদী। সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন সেটা হোয়াটসঅ্যাপ। তাই এবার সেখানেও ঝড় তুলতে শুরু করেছেন মোদী।

মোদীর এই চ্যানেলে কিছু সার্চ করতে হবে না। মোদী কিছু পোস্ট করলেই তার নোটিফিকেশন চলে আসবে। বরাবরই জনসংযোগে নতুন নতুন পথে হাঁটতে পছন্দ করেছেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের ওয়েবসাইট তো বটেই নমো নামে একটি অ্যাপ আনেন তিনি। বিজেপি সেই অ্যাপকে জনপ্রিয় করতে উদ্যোগী হয়েছে। এবার হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলকে সাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি কর্মীরা।

বাংলাতেও বিজেপি সাধারণ মানুষের মোবাইলে মোদীর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হওয়ার জন্য বার্তা পাঠাতে শুরু করেছে। দলীয় কর্মী সমর্থকদের মোবাইলে এই পরিষেবা চালু হবার পরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মোবাইলেও বার্তা পাঠানো হবে। বিজেপির আশা অনেক মানুষ এতে সাড়া দেবেন।

লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদীর বার্তা সরাসরি ভোটারের মোবাইলে পৌঁছে যাবে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল সবচেয়ে জনপ্রিয় একমুখী ব্রডকাস চ্যানেল। যে চ্যানেলে একসঙ্গে বহুমুখী সাবস্ক্রাইবারকে বার্তা পাঠানো যায়। তবে এটি একমুখী। কেউ চাইলেও মোদীকে কিছু লিখতে পারবেন না। এমনকি মোবাইল নম্বরও দেখতে পাবেন না। আবার এই চ্যানেল যারা পরিচালনা করবেন, তাদের মোবাইলে নম্বর সেভ করা না থাকলেও বাকিদের নম্বরও দেখা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পেয়ে তার প্রতিক্রিয়ায় কোন কিছু লেখা না গেলেও নির্দিষ্ট কিছু ইমোজি পাঠিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে। সেটা চ্যানেল পরিচালকরা দেখতে পাবেন। এই চ্যানেলর সদস্য হবার জন্য চ্যানেলের তরফ থেকে আমন্ত্রণ পেতে হবে। এই আমন্ত্রণ পাঠানোর কাজটাই সংগঠিতভাবে করবে বিজেপি। যেটা ইতিমধ্যে এই রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে। আমন্ত্রণ পাওয়ার পরে কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে সদস্য হওয়া যাবে। আবার কোনো গ্রাহক যদি চ্যানেল থেকে বেরিয়ে যেতে চান সেটাও করতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *