আমাদের ভারত, ৭ মার্চ: নির্বাচন ঘোষণার আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন তিনি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়বেন। দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় তিনি জানান তিনি কথা দিয়ে কথা রাখেন। নন্দীগ্রাম থেকেই তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। এরপর বিজেপিও ঘোষণা করেন ন্দীগ্রামের তার মুখোমুখি সমরে নামতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারী। এবার নন্দীগ্রামে আসনে ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বললেন মমতার স্কুটি এবার ভবানীপুরের বদলে নন্দীগ্রামে গিয়ে পড়বে।
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে মোদী বলেন, “কিছুদিন আগে স্কুটি চালাচ্ছিলেন দিদি। সবাই ভয় পাচ্ছিলেন। আপনি পড়ে গিয়ে আঘাত না পান। ভাগ্যিস আপনি পড়ে যাননি। নইলে যে রাজ্যে স্কুটি তৈরি হয়েছে সেই রাজ্যকে শত্রু বানিয়ে ফেলতেন। সে দক্ষিণের কোনো রাজ্য হোক, গুজরাট হোক, বা উত্তরের কোনো রাজ্য। তাই ভালোই হয়েছে আপনি পড়ে যান নি। কিন্তু ভবানীপুরে যেতে যেতে নন্দীগ্রামের দিকে কি করে স্কুটি ঘুরে গেল?আমি চাই না আপনি পড়ে গিয়ে আঘাত পান।কিন্তু স্কুটি যখন নন্দীগ্রামে গিয়ে পড়েছে, তখন আমরা আর কি করবো?”
দিন কয়েক আগে দেশজুড়ে পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধি হওয়ার প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে হাজরা স্কুটি চালাতে জান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অফিস যাওয়ার পথে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে স্কুটিতে বসে অফিসে যান তিনি কিন্তু ফেরার সময় নিজেই ই-স্কুটি চালিয়ে কালীঘাটের বাড়িতে ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চালানোর সময় কিছুটা বেসামাল হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। আজ সেই ঘটনাকে টেনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়াকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ইতিমধ্যেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন তিনি পঞ্চাশ হাজারের বেশি ভোটে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীকে হারাবেন। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফেও বলা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমপক্ষে ১ লক্ষ ভোটে নন্দীগ্রামে জিতবেন। নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোয় নিজের ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে এবার তৃণমূলের হয়ে লড়াই করছেন শোভনদেব চট্টপাধ্যায়।

