আমাদের ভারত, ১৮ ফেব্রুয়ারি: ১৯৪৭-এ ভারতের স্বাধীনতার পরও অনেক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে দেশের মানুষকে। তাই ১৯৪৭-এ ভারতের জন্ম হয়নি। শিখ ছদ্মবেশ ধরে জরুরি অবস্থার সময় আত্মরক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার শিখ সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকজন ধর্মগুরুকে নিজের বাসভবনে ডেকেছিলেন মোদী। সেখানেই তিনি মনে করিয়ে দেন শিখ তীর্থক্ষেত্র কার্তারপুর সাহিবকে ভারতের রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল কংগ্রেস। একইসঙ্গে আফগানিস্তান থেকে শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থসাহিব আনার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। পাঞ্জাব নির্বাচনের আগে মোদীর এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
এদিন মোদী নিজে শিখ গুরুদের হাতে খাবারের থালা তুলে দেন। তিনি বলেন, “আজ আমি আপনাদের সেবা করতে চাই।” একই সঙ্গে তিনি কংগ্রেসের ব্যর্থতার কথাও মনে করিয়ে দেন শিখ গুরুদের। জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে মোদী বলেন, “১৯৪৭-এ জন্ম হয়নি ভারতের। আমাদের গুরুদের অনেক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে। জরুরি অবস্থার সময় আমরা অনেক কষ্ট করেছি। আমি মাটির নিচে আশ্রয় নিয়েছিলাম। শিখ ছদ্মবেশ নিয়েছিলাম সেই সময়। আমি পাগড়ি পড়ে থাকতাম।”
দেশভাগের সময় কার্তারপুর সাহিব পড়ে পাকিস্তানের পক্ষে। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিখদের সুবিধার্থে কার্তারপুর করিডোর তৈরি করে কেন্দ্র সরকার। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মোদী বলেন, “ওরা কার্তারপুর ধরে রাখার চুক্তি করতে পারেনি। যেটা মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে।” তিনি বলেন, পাঞ্জাবে যখন থাকতেন সেই সময় বাইনোকুলার দিয়ে কার্তারপুর সাহিব দেখতেন তিনি। তখন থেকেই তিনি ভেবেছিলেন কিছু একটা করা দরকার। মোদী বলেন, “গুরুদের আশীর্বাদে আমরা সেই কাজ এত কম সময়ে করতে সক্ষম হয়েছি”।
মোদী সরকারের উদ্যোগে শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থসাহিব ফিরিয়ে আনা হয়েছে আফগানিস্তান থেকে। সে কথাও মনে করিয়ে দেন মোদী। তিনি বলেন, গুরু গ্রন্থসাহিব সম্মানের সঙ্গে ফিরিয়ে আনা উচিত। তাই আমরা একটা আলাদা বিমানের ব্যবস্থা করেছিলাম।

