আমাদের ভারত, ১৫ আগস্ট: আমি ভবিষ্যৎবাণী করতে পারি না। আমি কর্মফলে বিশ্বাসী। দেশের যুব সমাজ, কৃষক ও মহিলাদের উপর আমার আস্থা রয়েছে। এরা সবাই লক্ষ্যপূরণের ক্ষমতা রাখে কেউ এদের বিরত করতে পারবে না। একুশ শতকে ভারতকে স্বপ্নপূরণ থেকে কেউ রুখতে পারবে না। ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে এভাবেই দেশবাসীকে স্বপ্ন সত্যি করার জন্য উদ্দীপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০তম বর্ষে যেই প্রধানমন্ত্রী হন না কেন, আজকের সময়ে নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তের কারণে তিনি সেই সময় সিদ্ধিলাভ করবেন।
আজ আবার একবার স্বদেশী পণ্য কেনার ওপর জোর দিলেন মোদী। তিনি বলেন,” দেশকে আত্মনির্ভর করে তুলতে স্বদেশী পণ্য কেনা আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। বিশ্ববাজারে ভারতকে নিজের পরিচয় গড়ে তুলতে হবে ব্যবসায়ীদের বলবো সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। কয়েকশো স্টার্ট আপ তৈরি হয়েছে দেশে তাদের পণ্যকে বিদেশে পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছে সরকার। আর্থিক সাহায্য হোক, কর ছাড় হোক, নিয়ম শিথিল করা হোক সবরকম সাহায্য করা হচ্ছে। করোনার মতো কঠিন সময়তেও হাজার হাজার স্টার্ট আপ তৈরি হয়েছে। কাল যেটা স্টার্ট আপ ছিল আজ তা ইউনিকর্নের পরিণত হচ্ছে। ভারতের উৎপন্ন পণ্যকে পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম গড়ে তুলতে হবে। ”
মোদী বলেন,বর্তমানে ভারতে মোবাইলের আমদানি কমেছে। বেড়েছে রপ্তানি। সাত বছর আগে প্রায় ৮০০ কোটি ডলারের ফোন আমদানি করত ভারত বর্তমানে ৩০০ কোটি ডলারের ফোন রপ্তানি করে ভারত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ববাজারে কথা মাথায় রেখে সমস্ত পণ্যের গুণমান বাড়াতে হবে আমাদের। কারণ এর সঙ্গে ভারতের পরিচয় জড়িয়ে। ভারতকে উৎপাদন এবং রপ্তানি বাড়াতে হবে। বর্তমানে ভারতের যুদ্ধবিমান তৈরি করছে, সাবমেরিন তৈরি করছে, মহাকাশে ভারতের তেরেঙ্গা উত্তোলন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্বদেশী উৎপাদন আমাদের সামর্থ্য বাড়াতে আরো উৎসাহিত করেছে। ”
ভারতকে সার্বিক ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিজেপি সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তার কথায়, ‘ আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে অনগ্রসর শ্রেণির মানুষের হাত ধরতে হবে। দলিত আদিবাসী সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে সামাজিক বিকাশে কেউ যেন পিছনে না পড়ে থাকে তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি সর্বাত্মক বিকাশে আমাদের লক্ষ্য।”

