পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৩ নভেম্বর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকে বিধায়ক বনাম ব্লক সভাপতির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব এবার প্রকাশ্যে এলো।
এতদিন এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে চাপা ক্ষোভ ছিল। এদিন এসআইআর নিয়ে ডাকা মিটিংয়ে বলতে উঠে এলাকার এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, এত সভা মিটিং না করে ছোট ছোট সাংগঠনিক এরিয়ায় এই নিয়ে বৈঠক করে এই এসআইআরটি নির্বাহ করলে সুবিধা হবে। ব্লকে সংগঠন সম্পর্কেও ভাবতে হবে। অত্যন্ত দুর্বল সংগঠন এই ধরনের ছোট ছোট মিটিং মিছিল হলে সংগঠন চাঙ্গা হবে। আর এটা অনেকে মেনে নিতে পারেন বলে খবর। ব্লক সভাপতি ঘনিষ্ঠ এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা বলেন, তুমি পঞ্চায়েত প্রধান, ব্লক অফিসে আসো না, তুমি সংগঠন নিয়ে কী খবর রাখো? দলের সব সংগঠন ঠিক আছে? এটা এসআইআর- এর মিটিং। এই নিয়ে আলোচনা হলেই ভালো সংগঠনের মিটিং হবে, যখন তখন বলবে এইসব কথা। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে অপর পক্ষ গন্ডগোল শুরু করে। গন্ডগোলে ভন্ডুল হয়ে যায় মিটিং।

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক নেতা জানিয়েছেন, উল্লেখিত পঞ্চায়েত প্রধান বিধায়ক ঘনিষ্ঠ। সমস্ত জায়গায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্থানীয় বিধায়ক গন্ডগোল তৈরি করতে চাইছেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজের পালে হাওয়া টানতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছেন তিনি। দলই শেষ কথা। এই ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। দল চাইলে প্রয়োজনে বিধায়ককে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে দল চাইলে।
অপরদিকে বিধায়কের ঘনিষ্ঠ এক নেতার বক্তব্য, বিষয়টা যখন এসআইআর নিয়ে ছিল, তখন এই নিয়েই আলোচনা হোক। কিভাবে করতে হবে? কেন করতে হবে? তাতে কর্মীরা বুঝতে পারবে। কিন্তু যেই ভাবে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ শুরু হলো তাতে আমরা আশাহত।
আর এই প্রসঙ্গে স্থানীয় চায়ের দোকানে আলোচনা হতে শুরু করেছে কে ১৯৯৮ সালে বিজেপি করেছে, কিংবা আরএসএস -এর কর্মী ছিল, কার নাম চুরি- দুর্নীতি- গাছ কাটার বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়ে আছে তা নিয়ে।

