আমাদের ভারত, ২ মার্চ: সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের কাছ থেকে সরছে, তারা বুঝতে পারছে তৃণমূল তাদের জন্য কোনো উন্নয়ন করতে পারবে না। রাস্তাঘাট জল কিছুই সেখানে না পৌঁছানো কারণেই মানুষ তৃণমূলের কাছ থেকে সরে এসেছে। সাগরদিঘির ভোটের ফলে এমনটাই দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
সাগরদিঘিতে সংখ্যালঘুদের ভোট সম্পূর্ণভাবে কংগ্রেসের খাতায়, তার কারণ হিসেবে বিজেপি রাজ্য সভাপতি এক অনুন্নয়ন ও সেখানে বরাবর একজন মুসলিম বিধায়কের চাহিদা ছিল, এই দুই কারণকে তুলে ধরেছেন। তবে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নে বিজেপি কোনো রকম কার্পন্য করেনি। বরং মোদী সরকারের বার্তা সবকা সাথ সবকা বিকাশ সবকা বিশ্বাসের উপর। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতির আহ্বান, “নাগাল্যান্ডের দিকে দেখুন যেখানে ৯৮ পার্সেন্ট খ্রিস্টান রয়েছেন, তারাও এদেশে সংখ্যালঘু। তারা কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর উপর ভরসা রেখেছেন। তার দাবি বাংলাতেও বিজেপিই পারে তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসন থেকে মুক্তি দিতে।
তিনি বলেন, “সাগরদিঘিতে মূলত তৃণমূলের হাড়ের কারণ মুসলিম ভোট সরে গেছে তৃণমূল থেকে কংগ্রেসের দিকে। এর কারণে কংগ্রেস সাফল্য পেয়েছে।” এছাড়াও তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের এই সমস্ত এলাকা বহুদিন ধরেই কংগ্রেসের গড় ছিল। গত বিধানসভায় নির্বাচনে মুসলিম ভোটের পোলারাইজেশনের জন্য সেই আসন গুলি কংগ্রেস হারিয়েছিল।
বিজেপির ভোট কেন সেখানে কমেছে তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ঐখানে যারা বিজেপির হার্টকোর ভোটার অর্থাৎ যারা কট্টর বিজেপি ভোটার তারা দলের সাথেই রয়েছে না হলে বিজেপি ওখানে ২৩ হাজারের এর উপরে ভোট পেতো না। তবে গতবার অর্থাৎ ২১ এর নির্বাচনে বিজেপির সরকার আসার একটা সম্ভাবনা ছিল একটা উদ্দীপনা থাকার কারণেই সেই সময় ৪৪ হাজার ভোট পেয়েছিল বিজেপি বলে তার দাবি।

