হালিশহরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর,৩০ মে:
হালিশহরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি ব্যারাকপুর পৌর এলাকার জল জমার সমস্যা নিয়েও আলোচনা সারলেন।

রবিবার হালিশহরের বালিভারা অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকা ঘুরে দেখলেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। গত ২৫ মে যস আসার আগেই কয়েক মিনিটের এক বিধ্বংসী ঘূর্ণি ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় নৈহাটি ও হালিশহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়ের তাণ্ডবে ওই এলাকার বহু বাড়ি ভেঙ্গে যায় , উপড়ে যায় বৈদ্যুতিক খুঁটি। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ সেই সমস্ত এলাকা ঘুরে দেখার পর
হালিশহর পৌরসভার বৈঠক করলেন রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এদিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ঝড় কবলিত এলাকা ঘুরিয়ে দেখান বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী, হালিশহর পৌরসভার প্রশাসক রাজু সাহানি সহ সরকারি অন্যান্য আধিকারিকরা।

পৌরসভায় ঝড় নিয়ে বৈঠক শেষে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের দুয়ারে ত্রাণ প্রকল্প চালু হচ্ছে, সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের নিজেদের আবেদন করতে হবে আর ক্ষতিপূরণ বাবদ যা টাকা ধার্য হবে সেটা সরাসরি আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে। আমি হালিশহর ও নৈহাটিতে হওয়া ঘূর্ণি ঝরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি দেখার জন্য এসেছিলাম। এই সম্পর্কিত সমস্ত নথি পৌরসভা তৈরী করছেন যাতে এখানে মানুষ ত্রাণ পেতে পারেন।”

একই সঙ্গে এদিন ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর আহ্বানে ব্যারাকপুর ও টিটাগড় পৌরসভার অন্তর্গত এলাকার জল ও নিকাশি সংক্রান্ত ব্যবস্থায় পরিকাঠামো গত উন্নতি করার জন্য পৌর প্রশাসক ও বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর সাথে বৈঠক করেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এদিন ব্যারাকপুর পৌর সভায় বৈঠক শেষে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “আমাকে রাজ জমা জলের সমস্যার কথা বলেছেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলাম আগামী দিনে যাতে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করা যায় তার চেষ্টা করব। এই অঞ্চলে অনেক খাটাল আছে যেগুলো থেকে বের হওয়া বর্জ পদার্থ জমে নিকাশি ব্যবস্থা খারাপ করছে। তাই সেগুলি সঠিক ভাবে পরিকল্পনা করে সমাধান করতে হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *