মেচেদায় ভ্যাট নির্মাণ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প কার্যকরের দাবিতে বিডিও’র কাছে স্মারকলিপি

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৭ এপ্রিল: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রবেশদ্বার হল মেচেদা। মেচেদায় রয়েছে কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, মাছ ও পানের বড় বড় আড়ত, নার্সিং হোম প্রভৃতি। অথচ এখানে আবর্জনা ফেলার জন্য নেই কোনো ভ্যাট। তাই বাসিন্দারা আবর্জনা ফেলতে বাধ্য হন মজে যাওয়া সেচ দপ্তরের মেছেদা-বাঁপুর খালে, যা ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কের মেচেদা সংলগ্ন ওভার ব্রিজের কাছ থেকে বেরিয়েছে। কিছু সংখ্যক বাসিন্দা তাদের বাড়ির বর্জ্য ফেলে ন্যাশনাল হাইওয়ের ধারে। একদিকে কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষণ, অন্যদিকে বাড়ির বর্জ্য জনিত দূষণ সব মিলিয়ে মেচেদা দূষণনগরী হয়ে উঠেছে।

মেচেদা এলাকায় একটি ভ্যাট নির্মাণ করে বর্জ্য জমা ও ওই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প চালু সহ সেচ খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছে ‘কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ কমিটি’। সেই আন্দোলনেরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবর্ষে মিশন নির্মল বাংলার অর্থ তহবিল থেকে সলিড লিকুইড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট(SLWM) প্রকল্প গ্রহণ করে শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতি। সেইমতো বাসস্ট্যান্ড ও খাল সংলগ্ন স্থানে একটি জায়গা নির্ধারণ করে বাউন্ডারি দেওয়াল দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে এখনো পর্যন্ত সেই প্রকল্পটি চালু হয়নি। ফলস্বরূপ এলাকার বাসিন্দারা সমস্ত ধরনের বর্জ্যজনিত দূষনে জেরবার হয়ে উঠছে।

অতিসত্বর ওই প্রকল্পটি চালুর দাবি জানিয়ে আজ “কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ কমিটি”র পক্ষ থেকে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বিডিও অমিত কুমার গায়েনের নিকট এক স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কমিটির মুখপাত্র নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন, অবিলম্বে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ রূপায়ণ করে বর্জ্যজনিত দূষণ সমস্যার সমাধান না করা হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *