দুবাই মেট্রোয় মমতার ছবি, ব্যাপক সমালোচনা আমজনতার

অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ১৩ সেপ্টেম্বর: দুবাই থেকে স্পেনের ফ্লাইট ধরার পথে সাধারণের সঙ্গে মেট্রো রেলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি বুধবার সামাজিক মাধ্যমে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ট্রোল। একটি সংবাদ চ্যানেলে ছবিটি দেওয়ার এক ঘন্টা বাদে, বেলা সাড়ে ১১টায় লাইক, মন্তব্য শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ৩ হাজার ১০০, ৫৯১ ও ৩৮।

শুভেন্দু বিশ্বাস লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোনও ক্ষমতা নেই।” বিজয়া পাল ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, “ওমা কি সাধারণ, নিরহঙ্কারী! আহারে ভাবা যায়!”

সুব্রত মুখার্জি লিখেছেন, “স্পেনে তৃণমূল ভবন উদ্বোধন করল দেশের প্রধান মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর সঙ্গে দুবাইতে তৃণমূলের সদর দফতর ও দুবাই পুলিশের সঙ্গে বাংলার লুঙ্গি পুলিশ কাজ করবে, তথা বাংলায় এসে শিল্প গাছে কি করে ফলে তার টেকনোলিস্টদের সঙ্গে বিশ্লেষণ করবেন বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানী কুণাল ঘোষ। এর ফলে বাংলায় শিল্প ঘরে ঘরে গাছে গাছে ভরে যাবে।”

প্রশান্ত সাঁতরা সুব্রত মুখার্জির উদ্দেশে লিখেছেন, “তাহলে টিএমসি তো ইন্টারন্যাশনাল পার্টি হয়ে গেলো”। সোমা দত্ত দাস লিখেছেন, “উনি‌ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, দুবাইয়ের নয় এটা বোধহয়‌ রিপোর্টার ভুলে গেছে। এই ছবিগুলো তুলে কে দিচ্ছে কুনাল চোর?” জয়দীপ দাশগুপ্ত লিখেছেন, “বাংলার থেকে যে দিন টাটা চলে গেল যেই দিন থেকে কোনও দেশীয়, বিদেশী শিল্পপতি বাংলায় আসবে না, এটা বাংলার সবাই জানেন।বএই বাংলায় শিল্পের পরিবেশ নেই শুধু রাজনীতি আছে।”

সঞ্জীব মুখার্জি লিখেছেন, “অষ্টম আশ্চর্যকে দেখতে লোক জড়ো হয়ে যায়নি দেখে আমি অবাক।“ অজয় সরকার লিখেছেন, “আচ্ছা পিসিমণি তো ভারতবর্ষের সেরা মুখ্যমন্ত্রী তাহলে কেউ বসতে জায়গা দিল না কেন?” চিত্তরঞ্জন ধর লিখেছেন, “লগ্নির নামে তো একটি পাক্কা অশ্বডিম্বই নিশ্চিত.. আমরা আগেও বারে বারে দেখে নিয়েছি, দেশের তথা বিশ্বের অন্যতম শিল্পপতি রতন টাটাকে এরাজ্য থেকে তাড়ানো হয়েছে..!! ভবিষ্যতে আর কোনও শিল্পপতি একটা আলপিনের ফ্যাক্টরি করতেও পশ্চিমবঙ্গে আসবে বলে মনে হয়? আমরা তো গত ১২ বছর ধরে দেখলাম.. কতশত ইন্ডাস্ট্রি পশ্চিমবঙ্গে এসেছে.. কি সাংঘাতিক মাপের ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে… কতইনা শত সহস্র বেকার ছেলে, সাংঘাতিক মাপের চাকরি করছে… তেলেভাজা আর চপ মুড়ি বিক্রি করা ছাড়াও !! মনে হয় না সেটা অশ্বডিম্বের সমান?? নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের টাকা তো খরচ হচ্ছে না… বুড়ো বয়সে (সারা জীবন তো পারেননি) শুধুমাত্র জনসাধারণের ট্যাক্সের টাকায় বিদেশ ঘোরা পরিবার এবং সপারিষদে… ওটা ফুর্তি করা ছাড়া আর যে কিছুই না , সেটা আমরা হলেও সবটুকুই বুঝি। অন্তত এটাও বুঝি এবং দেখছি.. গত ১২ বছরে কটা আলপিন তৈরির ইন্ডাস্ট্রি পশ্চিমবঙ্গে এসেছে !! দুবাই-এর ব্যাংক একাউন্টে ১৬৪ কোটি টাকা কার নাকি ফ্রিজ হয়ে গেছে.. সেই তালা খুলতেই কি দুবাই হয়ে স্পেন?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *