আমাদের ভারত, ২৯ মে:রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রীর যস পর্যালোচনায় বৈঠকের ডাক পান শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের শাসক দল প্রশ্ন তুলেছে শুভেন্দু কেন ওই বৈঠকে ডাক পাবেন? বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে শুভেন্দুকে পাঠানো রাজ্য বিধানসভার সচিবালয়ের চিঠি সামনে আনে বিজেপি। মনে করা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে শুভেন্দুর আমন্ত্রণের কারণেই পর্যালোচনা বৈঠক এড়িয়ে যান। যদিও মোদীর সঙ্গে কলাইকুন্ডা আলাদা করে দেখা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে মাত্র দেড় মিনিট দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই দেড় মিনিটের সাক্ষাতে যসের কারণে রাজ্যে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দীঘা সুন্দরবনের উন্নয়নের জন্য কুড়ি হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দীঘায় নিজেই সে কথা উল্লেখ করেছেন মমতা। দীঘা যাওয়ার কথা থাকায় বৈঠকে থাকতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একথা তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে এসেছেন বলেও জানান দীঘাতে গিয়ে।
পর্যালোচনা বৈঠকে না থাকলেও কলাইকুন্ডায় প্রধানমন্ত্রী চপার পৌছানোর পরই তাকে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল।যদিও তার আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় যস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না মুখ্যমন্ত্রী। ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতির হিসেব দিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদাভাবে দেখা করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতির হিসেব সম্বলিত তথ্য তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে। দুপুর দুটো পাঁচ মিনিট চপার এসে পৌঁছায় কলাইকুন্ডায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেড় মিনিট সাক্ষাৎ করেন তিনি। বেলা দুটো ৪৫ মিনিটের চপারে দিঘার পথে রওনা দেন তিনি।
যসে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা আকাশপথে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার সকালে তিনি সফর শুরু করেছিলেন ওড়িশায়। দুপুর দুটো নাগাদ কলাইকুন্ডা পৌঁছান তিনি। সেখানেই রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানান।

