আমাদের ভারত, ৯ এপ্রিল: নন্দীগ্রামে আহত হওয়ার পর বিজেপির বিরুদ্ধে তার ওপর হামলার অভিযোগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পূর্ব বর্ধমানের ভোট প্রচারে গিয়ে তৃণমূল নেত্রীর দাবি তাকে খুন করা চক্রান্ত করা হয়েছে। বিজিপির নেতারা এই চক্রান্ত করছে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তার আক্রমণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মমতা এদিন গুন্ডা বলে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন অমিত শাহ একজন দাঙ্গাবাজ বাঘের চেয়েও ভয়ঙ্কর।
মমতার এই মন্তব্য প্রসঙ্গে শুক্রবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শিহ বলেন, আমি বিষয়টি উপেক্ষা করছি আপনারাও করুন।
আজ মেমারির সভায় মমতা বলেন, “এত বাজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এত গুন্ডা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,এত দাঙ্গাবাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেখিনি। আমরা জীবনে দেখিনি।” ওই সভায় মমতা আরো বলেন সবচেয়ে জঘন্য ওই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা না! টাকা ছড়াচ্ছেন! ভাবছেন সব কিনবেন টাকা দিয়ে। কিনুন কত কিনবেন, কতদিন কিনবেন, বলি এত টাকা পান কোথায়? এত এত টাকা? কত কত খরচ করে এক একটা মিটিং-এ। আমি জানি, আমি এসব বলার পরই আপনারা আমাকে খুন করার চক্রান্ত করবেন। অলরেডি পা খোড়া করে দিয়েছেন। জেনে রাখুন আমি ভয় পাই না। আমি বাঘের বাচ্চার মত লড়বো। দেখি আপনারা কি করেন।
তৃণমূল নেত্রী বলেন, ” কেন গ্রামে গ্রামে গিয়ে ভয় দেখাবে পুলিশ? ভাবছে আমি জানি না। জানেন বাইরে থেকে গুন্ডা গুলোকে পুলিশ সাজিয়ে এনেছে। অত্যাচার করছে। আমি রাজ্য পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোষ দেখি না। অমিত শাহ পুলিশদের বাজে কাজ করতে শেখায়ও একটা গুন্ডা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে পুলিশকে দিয়ে সব কাজ করাচ্ছে। সিআরপিএফ, নির্বাচন কমিশন নিয়ন্ত্রণ করছে। সব অমিত শাহের দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।”
একইসঙ্গে মমতার অভিযোগের সুরে বলেন, ” সব পুলিশ করে না। কাউকে কাউকে আবার পুলিশ সাজিয়েও নিয়ে আসা হচ্ছে। আমাদের লোকাল কিছু পুলিশকেও কিনেছে। নিচু তলার পুলিশ নয় উঁচুতলার পুলিশ। আমি কিন্তু সব খবর রাখি।”
এরপর নাম না করে অমিত শাসকে আক্রমণ করে মমতা বলেন, “দেখেছেন চোখ দুটো লাল টুকটুক করছে। এই যেনো খেয়ে নেবে। এই খেয়ে নেবে। বাঘের থেকেও ভয়ঙ্কর। বাঘ দেখলেও লোকে এত ভয় পায় না।”

