পূর্ণ মুখ্যমন্ত্রী থাকার অধিকার নেই মমতার, আমরা সিভিক মুখ্যমন্ত্রী রাখব: সুকান্ত মজুমদার

আমাদের ভারত, ২৭ আগস্ট: পূর্ণ মুখ্যমন্ত্রী থাকার কোনও অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করুন। আমরা সিভিক মুখ্যমন্ত্রী রাখবো তাতে জনগণের পয়সা বাঁচবে। মুর্শিদাবাদের জনসভা থেকে এভাবেই তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জেলায় জেলায় একের পর এক চোর ধরো জেল ভরো কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি। মূলত নবান্ন অভিযানকে সামনে রেখেই এই কর্মসূচি করছেন তারা। আর এই কর্মসূচি প্রচারে গিয়ে বক্তব্য রাখার সময় তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শানাচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার। শুক্রবার মুর্শিদাবাদের একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক দুর্নীতি কাণ্ডের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করেন তিনি

তার কথায়, “ভাবুন কোন অবস্থার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি, মুখ্যমন্ত্রীর কাছের লোকের বান্ধবীর বাড়ি থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হলো। আর মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, আমিতো কিছুই জানতাম না। আমি কিছুই জানতে পারিনি।” সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আপনি কলকাতায় থাকেন। কলকাতায় মন্ত্রীর বান্ধবীর বাড়িতে কত টাকা জমা হচ্ছে আপনি জানতে পারেন না। তাহলে মুর্শিদাবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা তাদের ঘরে কত কোটি কোটি টাকা জামা করছে তার সম্পর্কে কিভাবে জানতে পারবেন? আপনার পক্ষে তাহলে জানা সম্ভব নয়। আর আপনি যদি জানতেন না পারেন তাহলে ফুল টাইম মুখ্যমন্ত্রী রেখে লাভ নেই। আপনি পদত্যাগ করুন। সিভিক ভলেন্টিয়ার এর মত আমরাও সিভিক মুখ্যমন্ত্রী রাখবো। তাতে জনগণের পয়সা বাঁচবে।মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করুন।”

অনুব্রত মণ্ডলের কোটি কোটি টাকার হদিস মিলছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে না দাঁড়ালেও অনুব্রতর পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন কি এমন দোষ করেছে কেষ্ট? মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “সত্যি কেষ্ট তেমন কোনও দোষ করেনি। বাজারে বসে মাগুর মাছ কাটতে কাটতে নিজের নামে ১৭ কোটি টাকা রেখেছে। অথচ আমরা ১৭ কোটি টাকা একসাথে দেখিনি। এটাই যদি হয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় চাকরি ছেড়ে মাগুর মাছ কাটতে হবে, যদি ১৭ কোটি টাকা জমানো যায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *