Mamata, Vivekananda, স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের.

আমাদের ভারত, ১২ জানুয়ারি: “ভারতের স্বাদেশিক আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতীক স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।” সোমবার এভাবেই যুগনায়ককে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী এক্সবার্তায় লিখেছেন, “স্বামী বিবেকানন্দ আমাদের স্বদেশভক্তি ও সকল সমাজকর্মের অনুপ্রেরণা। তাঁর দেশপ্রেমের আদর্শ, দরিদ্রনারায়ণের সেবার বার্তা, ঐক্য, শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী আমাকে সবসময় উদ্দীপিত করেছে। সর্ব-ধর্ম-সমন্বয়ের যে পথ স্বামীজি আমাদের দেখিয়েছিলেন, তাই আমাদের সবার পাথেয়। স্বামীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে বাংলার সকল মানুষ একে অপরকে শ্রদ্ধা করুক ও ভালোবাসুক—এটাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা।

স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের সরকার অনেক কিছু করেছে। বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটে এবং ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতিজড়িত কলকাতার বাগবাজার এবং দার্জিলিং-এর দুই বাড়ি অধিগ্রহণ করে যথাক্রমে রামকৃষ্ণ মিশন ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, এবং সেগুলো এখন সংরক্ষিত হয়ে বহু মানুষের গন্তব্য হয়েছে। বাগবাজারে মায়ের বাড়ির সংস্কারও করা হয়েছে।

কামারপুকুরে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মভূমি-কেন্দ্রে আমরা রামকৃষ্ণ মিশন ও সংলগ্ন এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছি, আরো করা হচ্ছে।

এছাড়াও স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে নিউটাউনে একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ‘বিবেকতীর্থ’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এর জন্য জমি আমরা দিয়েছি। রামকৃষ্ণ মিশন এটা তৈরি করছে। নির্মাণের খরচও অনেকাংশে আমরা বহন করছি।

শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা, স্বামী বিবেকানন্দের নামাঙ্কিত মিশনগুলির বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের নিয়মিত আর্থিক আনুকূল্য আছে।

নতুন প্রজন্মের কাছে স্বামীজির আদর্শ পৌঁছে দিতে প্রতি বছর তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা পালন করছি ‘বিবেক চেতনা উৎসব’। স্বামী বিবেকানন্দর নামে আমরা যুব সম্প্রদায়ের জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প (যেমন – স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিন্স স্কলারশিপ, ইত্যাদি) করেছি। সল্টলেক স্টেডিয়ামের নাম পালটে আমরা ‘বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন’ করেছি।

শেষে, আমি আর একবার এই মহামানবকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *