বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে মমতা ব্যানার্জি সরকারে ফিরছেন, মেদিনীপুরে কর্মিসভায় বললেন সুব্রত বক্সি

জে মাহাতো, মেদিনীপুর, ১৪ ফেব্রুয়ারি:
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে মমতা ব্যানার্জির সরকার বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরছে বলে জানালেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুব্রত বক্সি। তিনি রবিবার মেদিনীপুর শহরে জেলা পরিষদের প্রদ্যুৎ স্মৃতি সদনে এক কর্মিসভায় একথা বলার পাশাপাশি নেতা কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেন ‘ ২১’ এর নির্বাচন আমরা জিতছিই এবিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমাদের আসল লড়াই ২০২৪ সালে। বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার লড়াই।’

কয়েকজন সাংসদ, বিধায়কের তৃণমূল ছাড়ার বিষয়ে দলের কর্মীদের মনে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এর উল্লেখ করে তিনি জানান, তৃণমূল এখন অনেক বড় একটা গাছ। স্বাভাবিক ভাবেই ঝড়, বৃষ্টির কারণে সেই গাছের কিছু পাতা পড়বে। কিন্তু এতে গাছের কোনো অসুবিধা হবে না। কারণ আবার নতুন পাতা গজাবে। কর্মীদের মধ্যে থেকেই আবার সাংসদ, বিধায়ক হবেন। 

সুব্রত বক্সির কথায় , ৩৬ বছর ধরে রাজনীতি করছেন। মমতা ব্যানার্জির অনেক ঘাত প্রতিঘাত দেখেছেন।
এবারের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে নানা রকম জল্পনা কল্পনা চালানো হচ্ছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এসব করানো হচ্ছে। কারণ এবারের নির্বাচন ওদের অস্তিত্ব বিপন্নের নির্বাচন। সারা দেশের বিজেপি বিরোধী শক্তির কাছে মমতা ব্যানার্জি লড়াইয়ের অন্যতম মুখ। তাই কুৎস, অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে লাভ হচ্ছে না। নতুন নতুন কল্পনা আর জল্পনাকে টেনে তুলছে। সেসব প্রচার মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে। তৃণমূলকে ঠেকাতে সব রকমের শক্তি প্রয়োগ করছে বিজেপি। ওদের ভয় মমতা ফিরলে ওদের আর ২০২৪ এ ফেরা হবে না। 

সুব্রত বক্সি জানান , বিজেপির সব জল্পনায় জল ঢেলে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে মমতা ব্যানার্জি তৃতীয় বারের জন্য বাংলার ক্ষমতায় ফিরবেন। কর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন , ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের ফলাফল দেখে অনেকেই আশাহত হয়েছিলেন। কিছু নেতা কর্মীদের আচার আচরণ, ব্যবহার, ঔদ্ধত্য মানুষ ভালো চোখে নেননি। কিন্তু যখন দিদিকে বলো কর্মসূচি শুরু হলো এরপর থেকে বঙ্গধ্বনি  যাত্রা, দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান, একের পর কর্মসূচি ও প্রকল্প মানুষকে তৃণমূলের ওপর আস্থা বাড়িয়ে তুলেছে। মানুষ দুহাত তুলে আশীর্বাদ করছেন।
এদিনের কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি, বিধায়ক আশীষ চক্রবর্তী, দীনেন রায়, প্রদ্যোত ঘোষ, ছায়া দোলই, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা গোপাল সাহা, সুজয় হাজরা ও বিশ্বনাথ পাণ্ডব সহ আরো অনেক। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *