স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ৯ ফেব্রুয়ারি: কেন্দ্রীয় সরকার সরকারি কর্মচারীদের বয়স বাধ্যতামূলক ভাবে ৫০ বছর করে বিভিন্ন প্রতিকূলতার সামনে সরকারি কর্মচারীদের দাঁড় করালেও আমাদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ক্ষেত্রে সেই অসুবিধাগুলো নেই। তাই আমরা রাতে ঘুমোতে পারছি বললেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বায়ক দিব্যেন্দু রায়।
প্রসঙ্গত, আজ নদিয়া জেলার নবগঠিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের কমিটির কর্মচারীদের নিয়ে একটি সভা নদীয়ার কালেক্টরি মোড়ে হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দুর্দশার কথা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, আমাদের মমতা ব্যানার্জি অনেক মমতাময়ী। আমাদের পাশে আছেন তাই আমরা রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি।

রাজ্যের তৃণমূল সরকার যেমন দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের সুখ দুঃখের ভাগীদার হয়েছে এবং সমস্যার সমাধান করছে ঠিক তেমনই সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা অসুবিধার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য গড়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন। নদীয়া জেলার নবগঠিত কমিটির কর্মচারীদের নিয়ে একটি সভা নদিয়া কালেক্টরি মোড়ে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বায়ক দিব্যেন্দু রায় জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেমন দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঠিক সেরকম সরকারি কর্মচারীদের সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন। কর্মচারীদের ওপর মমতা ব্যানার্জির যথেষ্ট আস্থা ভরসা বিশ্বাস আছে। সরকারি কর্মচারীরা ভালো করেই জানেন, এই মুখ্যমন্ত্রীই তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবেন এবং আগামী দিনে সমস্ত দাবি দাওয়া এই মুখ্যমন্ত্রী পূরণ করবে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এর আগে যে সমস্ত নির্বাচনে ভূমিকা নিয়েছিল সেটা সমস্ত ভারতবর্ষে একটা দৃষ্টান্ত ছিল এবং কিভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হয় সেটা সরকারি কর্মচারীরা দেখিয়েছে এবং আমাদের মুখ্যমন্ত্রীও সেভাবেই আমাদের অনুপ্রাণিত করেন যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট হোক এবং মানুষকে ভোট দানের সুযোগ দেওয়া হোক।
অপরদিকে বিজেপি শাসিত কর্মচারী সংগঠনগুলোর প্রকৃত অর্থে যে কমিটি গঠন করেছে তারা কর্মচারীই নয়।কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের একের পর এক সংস্থা তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের চাকরির বয়স বাধ্যতামূলক ৫০ বছর করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ত্রিপুরা সহ অন্যান্য রাজ্যে পেনশন ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে আমাদের মমতা ব্যানার্জি অনেক মমতাময়ী। আমাদের পাশে আছেন তাই আমরা রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছি।

