লখিমপুরের ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্বিগ্ন হওয়া বা শোক প্রকাশের কোনো গুরুত্ব নেই : শুভেন্দু অধিকারী

আমাদের ভারত, ৪ অক্টোবর:
লখিমপুর খেরির ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ধিক্কার জানিয়েছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কৃষকদের জন্য। চুড়ান্ত সমালোচনা করেছেন বিজেপি সরকারের। এর পাল্টা দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, লখিমপুরের ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্বিগ্ন হওয়া বা শোক প্রকাশের কোনো গুরুত্ব নেই। উত্তরপ্রদেশের সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ও সহমর্মিতার সঙ্গে সম্পূর্ণ ঘটনাটি দেখেছে।

লখিমপুর খেরির ঘটনা নিয়ে আজ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মৃতদের পরিবারকে ৪৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। আহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। মৃতদের পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী। ওই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য লখিমপুর খেরি এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। পুরো বিষয়টিকে অত্যন্ত মানবিকভাবে দেখেছেন। এর জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাব।”

একই সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বিগ্ন হওয়ার বা শোক প্রকাশ করার কোনো গুরুত্ব নেই। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যখন ভবানীপুরের উপনির্বাচনের জন্য লাগাতার ১৫ দিন ধরে প্রচার করেছেন, সেই সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তর বা প্রশাসনের উদাসীনতা জন্য মৃত্যু হয়েছে। তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা দুঃখ প্রকাশ করতে দেখিনি। তাঁকে তখন আমরা দেখিনি টুইট করতে। তাঁকে দেখিনি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করতে।

প্রসঙ্গত উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর ঘটনার কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। গুলি করে মারল। গাড়ি দিয়ে পিষে মারল। নৃশংস ভাবে মারল। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দিল না। হাথরসের সময়ও ঢুকতে দেয়নি আমাদের প্রতিনিধিদের। ১৪৪ ধারা তো বিজেপি সরকারের জন্য হওয়া উচিত। রামরাজত্ব নয় উত্তরপ্রদেশে খুনের রাজত্ব চলছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *