সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২০ ফেব্রুয়ারি : “বিজেপি সরকারের নীতি হচ্ছে ‘হাম দো হামারা দো’। ‘হাম দো’ হচ্ছে মোদী আর অমিত শাহ এবং ‘হামারা দো’ হচ্ছে আম্বানি আর আদানি।” আজ জয়পুরের আরবিবি হাইস্কুল ময়দানে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, পেট্রোপণ্যেরর মূলবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত তৃণমূলের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী-অমিত শাহকে এভাবেই আক্রমণ করলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক।
এদিন জনসভার বক্তব্য রাখতে বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো সহ জেলা নেতৃত্ব। সবশেষে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। আগাগোড়া কেন্দ্র সরকার ও মোদী-অমিত শাহকে নিশানা করে তোপ দাগেন তিনি। মলয় ঘটক প্রধান মন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, “নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি বাংলায় আসবেন। প্রথমবার বলেছিলেন চা ওয়ালা, দ্বিতীয়বার বলেছিলেন চৌকিদার, তৃতীয়বার রবীন্দ্রনাথ সেজে বাংলার মানুষের ভোট চাইতে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। তার জন্য বড় বড় দাড়ি রেখে রবীন্দ্রনাথকে নকল করা শুরু করেছেন। এই সমস্ত বহুরূপী, লুটেরা, ধাপ্পাবাজদের চিনতে হবে। দেশ ও পশ্চিমবঙ্গকে এদের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।” এছাড়াও তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের নীতি হচ্ছে ‘হাম দো হামারা দো’। ‘হাম দো’ হচ্ছে মোদী আর অমিত শাহ এবং ‘হামারা দো’ হচ্ছে আম্বানি আর আদানি।

এদিন সদ্য তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করে তৃণমূল জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু বলেন, “মেদিনীপুরের মাটি সমৃদ্ধ হয়েছে বীর বিপ্লবী, বিদ্যাসাগরের মতো মহাপুরুষদের জন্য। আমরা ধন্য হয়েছি তাঁদের আদর্শ পরামর্শ নীতি ও শিক্ষা পেয়ে। আর সেই মাটিতে যে এত বড় গদ্দারের জন্ম হয়েছে সেটা আমরা ভাবতেই পারিনি। বীর ভূমিকে কলুষিত করেছে সেই গদ্দার। এর প্রতিবাদ মেদিনীপুরের মানুষ এবং বাংলার মানুষ করবেন।”
জয়পুরের আরবিবি হাইস্কুল ময়দানে আয়োজিত জনসভায় মন্ত্রী মলয় ঘটক ছাড়াও ছিলেন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো, জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা তৃণমূল সভাপতি, জেলা তৃণমূল মুখপাত্র নবেন্দু মাহালি সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্বরা।

