আমাদের ভারত, কলকাতা, ২১ জুলাই: ২১ জুলাই তৃণমূলের সমাবেশে “খুব কম করে হলেও অন্তত ১৫ কোটির শ্রাদ্ধ” হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিক্রিয়ায় নেট নাগরিকরা উগড়ে দিয়েছেন তাঁদের ক্ষোভ।
দেবুবর লিখেছেন, “কোটি কোটি টাকা খরচ করে মহাবেলেল্লাৎসব শুরু হয়েছে!“ বিশ্বরঞ্জন মাইতি লিখেছেন, “পঃবঙ্গ বাসী জানে শহীদ দিবসে সংস্কৃতির নামে পাগলু নৃত্য আর আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর নামে জয়ধ্বনি ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমর রহে’।“
নন্দদুলাল চৌধুরী লিখেছেন, “ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ। অধ:পতনের তলানিতে কি এখনও পৌঁছাইনি আমরা? তলায় ধাক্কা লেগে উপরে উঠাটা কি দেখে যেতে পারবো না?“ রাহুল ঘোষ লিখেছেন, ‘ডিম্ভাত’-এর কী মহিমা!“ শ্যামল বরণ সাহা লিখেছেন, “এটাও একটা রাজনৈতিক মতাদর্শ! বামপন্থী, কংগ্রেস যেমন নীতি আর্দশ নিয়ে রাজনীতি করে, তেমনি তৃণমূলও সাধারণ মানুষকে কিছু পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি নিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে। এই লোভী মানুষগুলোর আফিমের নেশা যত দিন না কাটবে ততদিন এর থেকে মুক্তি কোথায়? চোর, তোলাবাজ, সিন্ডিকেট, কাটমানি যে দলের নীতি আদর্শ, সেখানে কোটি কোটি টাকা এদের রাজনৈতিক হাতিয়ার। এই সাধারণ মানুষের যতদিন না চেতনা আসবে ততদিনে এর থেকে মুক্তি কোথায় বলতে পারবেন?“

শুভঙ্কর বড়ুয়া লিখেছেন, “রাজ্যটাকে শেষ করে দিল।“ প্রীতম রায় লিখেছেন, “শুভ ডিম্ভাত দিবস।। বরুণ কুমার চক্রবর্তী লিখেছেন, “সবগুলো নেতা যারা এখানের খরচের যোগানদার সব ক’টার আজ অন্তরীনে থাকার কথা। তারা আজ বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের পূণ্যে। তারা চোরেদের ছেড়ে রেখেছে কেন? এর পরের বছর খরচ দ্বিগুন আর বিজেপি তো এখানে সহযোগী শক্তিকেই চায়, নিজে আসতে পারবে না জানে। তাই যেন বামেরা না আসে তাই হিমন্ত +মমতা= মধ্যে ধনকড়।“
অম্লান রায় লিখেছেন, “তৃণমূলী বরযাত্রীদের করুণাময়ী সেন্ট্রাল পার্কে রাখার আগাম ব্যবস্থাপনার জন্য ঐখানে অনুষ্ঠিত রথের মেলা তাড়াতাড়ি গুটিয়ে ফেলতে প্রশাসনের তরফ থেকে বাধ্য করা হয়। মেলা প্রাঙ্গনে যারা বিভিন্ন স্টল দিয়েছিলেন, তাদের প্রচুর টাকা এখন আটকে। দ্বিতীয়তঃ এত বড় মোচ্ছব করার টাকার উৎস কি সেটা জানা পঃবঙ্গের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার।
কমল কান্ত তোলা লিখেছেন, “সবই মোদীজী, অমিতজীর বদান্যতা। চোরগুলোকে সিবিআই জামাই আদর করে ছেড়ে দেয় কেন?“

