আমাদের ভারত, ২৯ জুন:
নুপুর শর্মা বিতর্কে কানহাইয়া লাল খুনের ঘটনায় শিউরে উঠেছে গোটা দেশ। সবাই উদ্বিগ্ন, তাহলে কি ভারতেও তালিবানি চিন্তার বিস্তার ঘটছে ক্রমশ? সাধারণ মানুষ আলোচনা শুরু করেছে, মুসলিম সমাজের একটি অংশের ক্রমবর্ধমান উগ্রবাদী কার্যকলাপের কি প্রকাশ্যে সমালোচনা করা উচিত? প্রশ্ন তোলা উচিত? সমাজের একাংশের ধর্মান্ধতা বৃদ্ধির কারণ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এরইমধ্যে কেরালার রাজ্যপাল আরিফ মহাম্মদ খান বলেছেন, মাদ্রাসাগুলোই এই বিদ্বেষের মূলে রয়েছে।
আরিফ মহম্মদের কথায়, ছোটবেলা থেকেই শেখানো হচ্ছে কেউ ইসলামী আইনের বিরুদ্ধে কথা বললে শিরচ্ছেদ করতে হবে। তিনি বলেছেন, মুসলিম আইন কোরান থেকে আসেনি। এটা কোনও ব্যক্তির লেখা, যেখানে শিরচ্ছেদের কথা আছে এবং এই আইন মাদ্রাসায় শিশুদের শেখানো হচ্ছে আল্লার আইন বলে। রাজস্থানের উদয়পুরে কানহাইয়া লালের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি একথা বলেছেন।
আরিফ খান প্রায়ই বলেন, যে মৌলানা ও মাদ্রাসাগুলি মুসলমানদের একটি অংশকে উগ্রপন্থী করেছে। তারা অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা শেখায়। যার কারণে শৈশবেই অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা জন্মায়। এমন পরিস্থিতিতে যখন তারা বড় হয় তারা সবসময় অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে শেখে। অন্য ধর্মের প্রতি সন্দেহ করে। আরিফ মহম্মদ এই ভাবনার তীব্র সমালোচনা করেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিনেদুপুরে রাজস্থানের উদয়পুরে কানহাইয়া লাল নামে এক দর্জির দোকানে দুই মুসলিম যুবক এসে তাকে কাপড় সেলাই করতে বলে। কানাহাইয়া লাল যখন তাদের মাপ নিচ্ছিলেন তখনই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে ওই দুই যুবক। শিরচ্ছেদ করা হয় তার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গেছে খুনিরা কানহাইয়া লালকে ২৬ বার আঘাত করেছে। উভয় হত্যাকারী রিয়াজ আনসারি এবং মহাম্মদ গোষকে উদয়পুর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে এক জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

