আমাদের ভারত, ১৫ জুন:
বাংলাদেশে ডাক্তারি পড়তে গিয়ে এক ভারতীয় বাঙালি হিন্দু ছাত্রী লাভ জিহাদের শিকার হলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যমে। বর্তমানে ওই ছাত্রী পাঁচ মাসের গর্ভবতী। সুবিচার পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের ঢাকা আদালতে মামলা লড়ছেন ছাত্রীটি।
ভারতীয় ওই ছাত্রীর নাম অমৃতা দত্ত। ২০১৯ সালে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি ডাক্তারি পড়তে যান। সেখানে পড়াশোনা করার সময় ফেসবুকে ২০২২ সালে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় ময়মনসিংহের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াকিলের সঙ্গে। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া ওই ছাত্রীর বয়ান অনুযায়ী প্রেমিক আব্দুল ওয়াকিল তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। সেই জন্য সে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলামে ধর্মান্তরিত হন। তাঁর নতুন নাম মেহজাবিন চৌধুরী। এরপর ২০২২ সালেই আব্দুল তাঁকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে ঢাকা শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে দুজনে থাকতে শুরু করেন। কিন্তু কিছু দিন পরেই মেহেজাবিনকে ভারতে থাকা সম্পত্তির আনতে চাপ দিতে শুরু করে আব্দুল।
এদিকে অমৃতা ওরফে মেহজাবিন আব্দুলকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বললে মেহজাবিনকে একতরফা তালাক দেওয়ার হুমকি দেয় আব্দুল। এরপর সে বেশকিছু দিন বাড়ি ফেরে না।
কিছুদিন পর ফোনে মেহজাবিনকে আব্দুল বোঝায় সে সংসার করতে চায়। এরপর দুজন কক্সবাজারে ঘুরতে গেলে আব্দুল তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ মেহজাবিনের। এমনকি গর্ভবতী অবস্থাতেও তাঁকে ধর্ষণ করে আব্দুল, বলে অভিযোগ এবং আব্দুল তার সন্তানকেও অস্বীকার করে।
এই অবস্থায় নিজের সন্তানের পরিচয় দাবি করে ঢাকা আদালতে মামলা করেছেন অমৃতা ওরফে মেহজাবিন। বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছেন তিনি এবং নিজের সন্তানের পিতৃপরিচয়ের জন্য লড়াই চালাচ্ছেন অমৃতা।

