টিকা নেওয়ার জন্য রাত তিনটা থেকে লম্বা লাইন

জে মাহাতো, ২৮ এপ্রিল : করোনার গ্রাফ যতই উ
ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে ততই বাড়ছে প্রতিষেধক নেওয়ার চাহিদা। কিন্তু করোনা প্রতিষেধক তথা টিকার পর্যান্ত যোগান না থাকার কারণে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধরণ মানুষকে। রাজ্যের সর্বত্র বিভিন্ন জেলাহাসপাতাল, গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে টিকা নেওয়ার জন্য পড়ছে লম্বা লাইন। রাত তিনটে থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে তবে মিলছে টিকার।

মঙ্গলবার কেশিয়াড়ী ব্লকের, কেশিয়াড়ী গ্রামীণ হাসপাতালে দেখা গেল করোনা টিকা নেওয়ার লম্বা লাইন। পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী এদিন ছিল টিকা দেওয়ার কর্মসূচি। ভোর রাত থেকে ইঁট, পাথর, ব্যাগ বা প্লাস্টিক বোতল দিয়ে লাইন দিতে দেখা হাসপাতাল চত্বরে। ইতিমধ্যে কেশিয়াড়ী গ্রামীণ হাসপাতালে ৯০০ ডোজ প্রতিষেধক টিকা এসেছিল, এরমধ্যে কেশিয়াড়ী গ্রামীন হাসপাতালে যেদিনগুলোতে টিকা দেওয়ার দিন ছিল সেইদিনগুলোতে ১৫০ জনের প্রথম ডোজ ও ৫০ জনের দ্বিতীয় ডোজ ধার্য করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।

মঙ্গল কেশিয়াড়ী গ্রামীন হাসপাতালের পাশাপাশি খাজরা, পাথরহুড়ি, গণসরিষা প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে করোনা প্রতিষেধক। এরপরেই মঙ্গলবার শুধু কেশিয়াড়ী গ্রামীন হাসপাতালে টীকা দেওয়া হয়।কেশিয়াড়ী গ্রামীন হাসপাতালে। মঙ্গলবার টিকা শেষ হয়ে যাওয়াতে বুধবার থেকে টিকা দেওয়া বন্ধ থাকবে, পরবর্তী সময়ে প্রতিশেধক টিকা আসলে আবার টিকা দেওয়া হবে বলে জানান বিএমওএইচ তারিনী কুমার শীঠ।

টিকার জন্য সকাল থেকে লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকছে মানুয়। ব্যাপক চাহিদা থাকলেও টীকার যোগান কম থাকায় কার্যত অসুবিধায় পড়ছেন মানুষজন। তবে সকলেই চাইছেন বাড়ানো হোক টিকার যোগান এরফলে মিলবে সঠিক পরিষেবা। তবে কবে ফিরবে স্বাভাবিক ছন্দ সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে আমজনতা থেকে সকলেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *