আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ৬ জুন: শ্যামনগর বসু বিজ্ঞান মন্দিরের জলাশয়ে মাছ চাষের সুবিধার জন্য আগাছার জঙ্গলে অগ্নি সংযোগ করার জেরে ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী এলাকা। যার ফলে চরম অস্বস্থিতে পড়েন এলাকাবাসীরা।
২৬ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন বিশাল জায়গা নিয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার অধিকৃত বসু বিজ্ঞান মন্দির। আগে এখানে ধান, পাট, মাছ চাষ হত। ধান চাষ নিয়ে গবেষণাও করা হত। এখন বসু বিজ্ঞান মন্দির বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এই গবেষণা কেন্দ্রটির সীমানায় একটি জলাশয়ে মাছ চাষ করা হয়। শ্যামনগরের বসু বিজ্ঞান মন্দির দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে গবেষণা কেন্দ্রটির ভেতরে আগাছার জঙ্গলে ভর্তি হয়ে থাকায় জলাশয়ে মাছ চাষের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হতে হয়।

অভিযোগ, আজ সকালে ঠিকাদারেরা আগাছা পরিষ্কার করার জন্য জঙ্গলে আগুন লাগায়। সেই আগুন মুহূর্তের মধ্যে বসু বিজ্ঞান মন্দিরের ভেতরের চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের এলাকা ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। অগ্নি সংযোগের ফলে গোটা এলাকার বাতাস দূষিত হয়ে পড়ে। এরপর ওই এলাকার বাসিন্দারা এর প্রতিবাদ জানালে গবেষণাগারের নিরাপত্তারক্ষীরা দমকলে খবর দেন। দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে।

এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই বসু বিজ্ঞান মন্দিরে আগে যে কাজকর্ম হতো এখন আর হয় না তার বদলে এখানে পুকুর আছে, সেগুলো লিস দেওয়া হয়। সেই পুকুরের যারা ভাড়া নিয়েছে মাছ চাষের জন্য তারাই আগুন লাগিয়েছিল। কিন্তু সেটা মুহূর্তে দাবানলে পরিণত হয়। আশপাশের মানুষদের খুব সমস্যায় পড়তে হয়। শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায় অনেকের। আমরা চাই কেন্দ্রীয় সরকারে এই বসু বিজ্ঞান মন্দিরটি আবার আগের মত চালু করুক সরকার। না হলে এই জায়গা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিক।” অবশেষে দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায়ন ওই আগুন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

