পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৫ জানুয়ারি: হাতেনাতে ধরা পড়া চোর কিভাবে পরের দিনেই ছাড়া পেয়ে যায়? এই প্রশ্ন তুলে রীতিমতো প্ল্যাকার্ড হাতে থানার গেটের সামনে গিয়ে বিক্ষোভে সামিল চুরি হয়ে যাওয়া বাড়ির মালিক সহ স্থানীয়রা। চুরি হওয়া জিনিসপত্র ফেরত এবং চোরেদের কঠোর শাস্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ। ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার গেটের সামনে। আজ থানার গেটের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে মহিলা পুরুষ সহ বেশকিছু মানুষজন বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভকারীদের বাড়ি চন্দ্রকোনা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের গোলকধামপুর গ্রামে।
জানাযায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা নিমাই সাঁতরার ফাঁকা বাড়িতে গত ২ রা জানুয়ারি রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই দিন বাড়িতে কোনও সমস্যা না থাকায় দরজা ভেঙ্গে লক্ষাধিক টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। যদিও স্থানীয়দের তৎপরতায় একজন চোরকে হাতেনাতে বাড়ির ভিতর থেকে ধরে ফেলা হয় এবং খবর পেয়ে চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

ওই ঘটনায় পরিবারের তরফে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় এবং ঘটনার পরদিন ধৃত চোরকে আদালতে পেশ করা হলে সে জামিন পেয়ে যায়। আর এই খবর পেয়েই ক্ষুব্ধ হয় চুরি হওয়া বাড়ির মালিক থেকে স্থানীয়রা। একজন চোরকে বাড়ির ভিতর হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলেও কি করে সে ছাড়া পেয়ে যায়। আর এতেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আজ চন্দ্রকোনা থানার গেটের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে সামিল হয় মানুষজন।বেশকিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর কয়েকজনের সাথে কথা বলে চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ আধিকারিক।
বাড়ির মালিক নিমাই সাঁতরা জানান, পুলিশ তাদের জানিয়েছে লিখিত অভিযোগের ক্ষেত্রে তারিখ ও সময়ের ভুল উল্লেখ করার জন্যই এই সমস্যা। পরিবারের লোকেদের আদালতে গিয়ে তা সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান বাড়ির মালিক নিমাই সাঁতরা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,পরিবারের তরফে যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল তাতে সময় ও তারিখের ভুল উল্লেখের জন্যই একটা সমস্যা হয়েছে। করনীয় সমস্ত কিছু বাড়ির মালিককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।যদিও আজ থানার গেটের সামনে বিক্ষোভের পর বাড়ির মালিক নিমাই সাঁতরার বাড়িতে তদন্তে গিয়েও পরিবার ও প্রতিবেশীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পুলিশকে।

