আমাদের ভারত, ৭ ডিসেম্বর: সাংঘাতিক এক রোগের মত লিভ ইন সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে ভারতে। লিভ ইন সম্পর্কগুলো আসলে শয়তানের বাসা। আইন তৈরি করে লিভ ইন সম্পর্ক বন্ধ করতে হবে, তা না হলে শেষ হয়ে যাবে ভারতীয় সংস্কৃতি। ছড়াবে হিংসা। লোকসভার শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীনই এমন মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ ধর্মবীর সিং।
বিবাহ এবং ডিভোর্স নিয়েও একাধিক কথা বলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার অধিবেশনের জিরো আওয়ার চলাকালীন লিভ ইন সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন হরিয়ানার এই বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, “আমাদের দেশে নতুন ব্যাধি হিসেবে উঠে আসছে এই লিভ ইন সম্পর্ক। পাশ্চাত্য দুনিয়ায় এই ধরণের সম্পর্ক খুব জনপ্রিয় হলেও আমাদের সমাজে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই শয়তান। কয়েকদিন আগেই শ্রদ্ধা ওয়াকার ও আফতাব পুনাওয়ালার ঘটনা আমরা দেখেছি। তারা দু’জন লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লিভ ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করে তার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রেখেছিলেন আফতাব। সেই নৃশংস ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় হয়েছিল দেশ। সেই ঘটনার উল্লেখ করেন বিজেপি সাংসদ ধর্মবীর। তাঁর মতে, লিভ ইন সম্পর্ক শুধু আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে তাই নয়, সমাজে হিংসাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এরকম চলতে থাকলে ভারতীয় সংস্কৃত ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বলেন, “মন্ত্রীদের কাছে আমার অনুরোধ, লিভ ইন সম্পর্কের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করা হোক।”
তবে শুধু লিভ ইন সম্পর্কই নয়, প্রেম করে বিয়ের বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়েছেন বিজেপি সাংসদ। তাঁর মতে, প্রেম করে বিয়ে হলেই বিবাহ বিচ্ছেদের প্রবণতা বাড়ে, কিন্তু সম্বন্ধ করে বিয়ের ক্ষেত্রে ডিভোর্সের হার খুবই কম বলে দেখা গেছে। প্রেম করে বিয়ে হলে অনেক সমস্যা দেখা দেয়, তাই বাবা-মায়ের সম্মতিতে বিয়ে হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

