আমাদের ভারত, ৭ মে:মোদী সরকার ২০২০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে এসেছে । ফলে এই দুবছর সময়ের মধ্যে কতটা এই নয়া নীতির বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে শনিবার একা উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জাতীয় শিক্ষানীতি সুফল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুলছুট পড়ুয়াদের পড়াশোনার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে জাতীয় শিক্ষানীতি। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন নয়া শিক্ষা নীতি। পাশাপাশি মোদী হাইব্রিড মাধ্যম শিক্ষার উপর দিয়েছেন।
মোদী উল্লেখ করেন শিক্ষাক্ষেত্রে অনেকগুলো রূপান্তরমূলক সংস্কার ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এই সংস্কারগুলি দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করবে। এই নয়া শিক্ষানীতি অনলাইন শিক্ষাকে এক নতুন দিগন্ত এনে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এরফলে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ফুলটাইম অনলাইন কোর্স চালানোর সুবিধা পেয়েছে এবং অনলাইন কনটেন্টের অনুমোদিত সীমা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত করা হয়েছে।
শনিবারের বৈঠকে হাইব্রিড মাধ্যমে শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন স্কুলের পড়ুয়ারা যাতে অতিরিক্ত প্রযুক্তি নির্ভর না হয়ে যায় তার জন্য অনলাইন এবং অফলাইন শিক্ষার হাইব্রিড সিস্টেম তৈরি করা উচিত।
জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে আরও বেশকিছু বিষয় উঠে আসে। মোদী পরামর্শ দেন যেসব মাধ্যমিক স্তরে স্কুলগুলিতে বিজ্ঞানের ল্যাবরেটরি রয়েছে,সেগুলি তাদের এলাকার কৃষকদের সঙ্গে মাটি পরীক্ষার কাজে যুক্ত হতে পারে। ওই বৈঠকের মোদীকে জানানো হয়েছে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির নির্দেশনায় জাতীয় পাঠক্রম প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির ডাটাবেসের সঙ্গে স্কুলের রেকর্ডের সমন্বয় বজায় রাখার ক্ষেত্রে। কারণ শিশুরা অঙ্গনওয়াড়ি থেকেই স্কুলে যায়। একইসঙ্গে প্রযুক্তির সাহায্যে স্কুলে তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজনীয়তার উপরেও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়াও মোদী শিক্ষার্থীদের সুস্পষ্ট ধারণা ও দক্ষতা বিকাশের ক্ষেত্রে দেশীয় খেলনা ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছেন।

