রাজেন রায় কলকাতা ৩ মার্চ: মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে সমস্ত রকম ভাবে ঋণমুক্ত হতে এবার তৎপর বিধায়করা। কোনো দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়নি। কিন্তু মনোনয়ন জমা দিতে হলে ঋণমুক্ত না থাকলে মনোনয়ন দাখিলে সমস্যা হতে পারে। সেই কারণে বিধানসভা থেকে নো ডিউ সার্টিফিকেট তুলতে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়েছে বিধায়কদের।
মনোনয়ন না পেলে এই ‘নো ডিউ সার্টিফিকেট’-র প্রয়োজন নেই। তাই অনেক বিধায়কের কাছে এই ‘নো ডিউ সার্টিফিকেট’ প্রয়োজনীয়তা নেই, অনেকের মতে, “আগে তো টিকিট পাই, তারপর ভাবা যাবে।”
তবে ভোটের মুখে শংসাপত্রের জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, বিধায়কের ‘ঋণমুক্ত’ থাকার দাবি আদৌ বাস্তবসম্মত কিনা, সেই সম্পর্কে নিশ্চিত নয় বিধানসভার সচিবালয়।
বিধায়কদের আবাসন বা হস্টেলে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সেখানে ফোন করে জানতে চাওয়া হচ্ছে কোনও বিধায়কের আবাসন ভাড়া বাকি আছে কি না? নিয়মানুযায়ী, আবাসনের জন্য দৈনিক এক টাকা করে ভাড়া দিতে হয় বিধায়কদের। অর্থাৎ মাসে ৩০ টাকা দিতে হয় তাঁদের। যদিও কখনও সেটাও বকেয়া থাকে বিধায়কদের? মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে যদিও মাসিক ভাড়া এক হাজার টাকা। একদা দু’হাজার টাকা ভাড়া বরাদ্দ হলেও মন্ত্রীদের আবেদনের ভিত্তিতে তা এখন এক হাজার টাকা। তবে কলকাতার বিধায়করা আবাসন পান না। এ ছাড়াও সঙ্গে রয়েছে বিধানসভার লাইব্রেরি থেকে বই নেওয়া। বই নিলেও আবার তা ফেরত দিয়েছেন তো বিধায়করা? তা নিয়ে লাইব্রেরিতে ফোন করে খোঁজ নিচ্ছে বিধানসভার সচিবালয়। আবাসনের ভাড়া, লাইব্রেরি থেকে বই জমা দেওয়ার পাশাপাশি বিধায়কের বাড়ির ইলেকট্রিক বিল মেটানোও ‘নো ডিউ সার্টিফিকেট’-র অংশ। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধায়কের বাড়ির এলাকার ইলেকট্রিক অফিস থেকে বকেয়া না থাকার নথিপত্র নিতে হয়।

