লক্ষ্য সংখ্যালঘু ভোট, কুমারগঞ্জে লড়াকু মহিলা মুখকে তুরুপের তাস করে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ বাম কংগ্রেসের

পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ২১ মার্চ: টার্গেট সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ক। লড়াকু মহিলা মুখকে তুলে এনে কুমারগঞ্জে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ বাম কংগ্রেস জোটের। এবারের নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বাম কংগ্রেস জোটে কংগ্রেসের টিকিটে একমাত্র প্রার্থী হিসাবে নার্গিস বানু চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুমারগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে। শনিবার কংগ্রেসের তরফে নার্গিস বানুর নাম ঘোষণা হতেই রীতিমতো শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকাতেই। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরের বাসিন্দা নার্গিস বানুকে হরিরামপুর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে কুমারগঞ্জ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে এবারে। দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন এই মহিলা নেত্রী। ২০০৮ সালে হরিরামপুরের জেলা পরিষদের আসনে কংগ্রেসের টিকিটে জিতে ১৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের একমাত্র বিরোধী দলনেত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। কুমারগঞ্জের সুন্দরপুরে নার্গিস বানুর জন্ম হলেও ৯১ সালে বিবাহসূত্রে হরিরামপুরে চলে যান তিনি। নার্গিস বানুর স্বামী মিজানুর রহমান নিজেও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন।

নার্গিস বানু চৌধুরি জানান, তাঁর মা জয়নুর চৌধুরী বর্তমানে সমজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের দায়িত্বেও রয়েছেন। কুমারগঞ্জের ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে নার্গিস বানুর দাদা হো-চি মিনের নেতৃত্বে নির্দল হিসাবে বেশ কয়েকজন প্রার্থী জয়লাভ করে। এরপরেই তাঁর মাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নার্গিস জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সেকারণে বাম-‌কংগ্রেস জোটে কংগ্রেসের একমাত্র প্রার্থী হিসাবে তিনি কুমারগঞ্জ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে এবারে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন গতবারের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী তোরাফ হোসেন মন্ডল। যদিও বিজেপির তরফে মানস সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে ওই আসনে। কংগ্রেস প্রার্থী নার্গিস বানু যে এবারে যথেষ্ট বেগ দেবেন তা বলাই বাহুল্য।

নার্গিস বানু চৌধুরীর স্বামী মিজানুর জানায়, এদিনই তিনি ভোটের জন্য পাকাপাকিভাবে তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে কুমারগঞ্জে ছুটে আসছেন। ডাঙ্গারহাট এলাকায় একটি দলীয় কার্যালয় তৈরী হয়েছে। সেখান থেকেই নির্বাচন পরিচালনা করা হবে বলে তিনি জানান।‌

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *