পার্থ খাঁড়া, কেশপুর, ১৮ এপ্রিল: ২০২১ সালের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে বিজেপির এই প্রথম সভা করল। আর সেই সভাতেই তাক লাগিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য সভাপতির হাত ধরে শাসকদলের যুব সভাপতি যোগদান করলেন পদ্মফুলে।
কেশপুর ব্লকের অন্তর্গত ১৪ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি রবি মুর্মু সহ যুব ৩০ জন কার্যকর্তা আজ বিজেপিতে যোগদান করলেন। সংবাদ মাধ্যমকে রবি মুর্মু জানিয়েছেন, মূলত শাসকদলের দুর্নীতি এবং নিচু তলার কর্মীদেরকে প্রাধান্য না দেওয়ার কারণেই তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। সেই সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, বেকার ছেলেরা যাদের বাড়িতে টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তারা কি সরকারি চাকরি করতে পারবেন না বর্তমান সরকারের আমলে?
বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুলিশ প্রশাসন দিয়ে কেশপুরে বিজেপিকে কোনওভাবেই রোখা যাবে না। পাশাপাশি তিনি পুলিশ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সভা শেষে কর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে যদি কোনও ধরনের হামলার সম্মুখীন হয়, তাহলে তিনি আগামীকাল আবার আসবেন কেশপুরের বুকে।

১৫ নম্বর অঞ্চলে ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হতে হয় বিজেপির কর্মী সুশীল ধাড়া কে।এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের দিকে। আজ নিহত কর্মীর স্ত্রীর হাতে ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন সুকান্তবাবু। পাশাপাশি তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতি নিয়েও সুর চড়ান কেশপুরের সভা থেকে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, কয়লা ভাইপো যেদিন অ্যারেস্ট হবে গোটা কেশপুর জুড়ে তুবড়ি ফাটাতে হবে। ভাইপো অ্যারেস্ট হওয়ার পর দিন থেকেই কেশপুরের সমস্ত বুথে বুথে বিজেপির পতাকা তোলারও নিদান দেন তিনি।

