আমাদের ভারত, ৪ মে: কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় ঘুরিয়ে বিএসএফকে কাঠগড়ায় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন কে গুলি চালিয়েছে? তিনি উল্লেখ করেন, রাধিকাপুর বিএফএফ নিয়ন্ত্রণ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মু্খ্যমন্ত্রী বিএসএফের কথা বলে আসলে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন। বিজেপি নেতার দাবি, মানুষ আর বোকা হবে না, কারণ মানুষ জানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব পুলিশের।
আজ মালদা ও মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালিয়াগঞ্জে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় বিএসএফের ভূমিকা খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দেন। “তিনি প্রশ্ন তোলেন গুলিটা কে চালালো? আমি তো শুনেছি বিএসএফ নাকি ওই গ্রামটা নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশের কাছে কোনো খবর আছে এটা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিএসএফ তো এখন ৫০ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে গিয়েছে, অনেকে নাকি মারাও গিয়েছে। গুলিটা কে চালালো? কোথা থেকে চলল এটার তদন্ত হওয়া দরকার আছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের পাল্টায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আইন শৃঙ্খলা ভুলে যাচ্ছেন। বিএসএফের ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দায়িত্ব আছেই। এখন বাড়িয়ে সেটা ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে সেটাও পাসপোর্ট আইনে। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তো পুলিশের।” এর পরেই সুকান্ত মজুমদার পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর দলের কোনো লোককে যদি বিজেপি কর্মী খুন করে দেয় তাহলে তিনি (মু্খ্যমন্ত্রী)বলবেন তো, বিএসএফ গ্রেফতার করবে, পুলিশ নয়।” সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিএসএফ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না। তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বিজেপি নেতা কটাক্ষ করে বলেন, “মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন মু্খ্যমন্ত্রী। কিন্তু দিদিমণি মানুষ আপনার কথায় আর বোকা হচ্ছে না।”

