প্রয়াত সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর

আমাদের ভারত, ৬ ফেব্রুয়ারি: সরস্বতী পূজার পরের দিনই না ফেরার দেশে চলে গেলেন সরস্বতীর বর কন্যা লতা মঙ্গেশকার।
জীবনযুদ্ধে হার মানলেন ৯২ বছর বয়সী কিংবদন্তি শিল্পী। “শায়েদ ইস জনম মে মুলাকাত হো না হো” আজ সত্যি হয়ে গেল শিল্পী কণ্ঠের এই গান তার জন্য। সত্যিই আর মুলাকাত হবে না তাঁর সাথে।

সঙ্গীতজগত হারালো তার উজ্জ্বলতম নক্ষত্রকে। রবিবার সকালে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান এই সংগীতশিল্পী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রথমদিকে চিকিৎসায় সাড়াও দিয়েছিলেন। তাঁর আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা করেছিল গোটা দেশ। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ২৯ দিন। তবে ২৭ দিনের মাথায় তার অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। নিউমনিয়াতে আক্রান্ত ছিলেন কোকিল কন্ঠী। ৩০ জানুয়ারি শিল্পীর কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট এলেও বয়স জনিত নানা সমস্যার কারণে শেষ পর্যন্ত আর লড়াই চালিয়ে যেতে পারলেন না। আগেও বহুবার সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিন্তু অনুরাগীদের আশ্বস্ত করে প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু এবার অনুরাগীদের প্রার্থনা এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা বিফলে গেল। চিরতরে চলে গেলেন লতা মঙ্গেশকর না ফেরার দেশে।

১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর লতার জন্ম এক মারাঠি পরিবারে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বাবাকে হারান। তার আগে অবশ্য বাবার হাত ধরে অভিনয় এবং গান শিখতে শুরু করেছিলেন। ১৩-১৪বছর বয়সেই প্রথমবার সিনেমার গান গাওয়া, মারাঠি ছবিতে। মুম্বাইয়ে যাওয়ার পর ১৯৪৮ সালে প্রথম হিন্দি ছবিতে গান গাওয়া। মজবুর ছবিতে তিনি প্রথম গান গান। লতার মৃত্যুতে একটি নয় ভারতীয় সংস্কৃতি জগতের একাধিক যুগের অবসান হলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *