আমাদের ভারত, ১৪ অক্টোবর: “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মেনে সর্বস্তরে আশু নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় পুনরুজ্জীবিত হোক নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা এবং দৈনন্দিন সিদ্ধান্তে থাকুক সর্বস্তরের অংশীদারের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ।”
শুক্রবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (কুটা)-র সভাপতি মহালয়া চট্টোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক সনাতন চট্টোপাধ্যায় এই দাবি জানালেন। এক প্রেস বিবৃতিতে তাঁরা লিখেছেন, “সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অপসারিত, এটা এখন সবাই জানেন। কিন্তু গত এগারো বছর ধরে কোনো নিয়মবিধির পরোয়া না করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যে বিরাট শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আলোচনাতে আসে না।
দীর্ঘদিন নিয়োগ না হওয়ার জন্য শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী তো বটেই, বহু গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকের পদ শূণ্য। বেশির ভাগ পদ আংশিক সময়ের জন্য, সাময়িক ভাবে, অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সামলাচ্ছেন হাতে-গোনা কিছু পছন্দের লোক। সেনেট-সিণ্ডিকেট থেকে শুরু করে সব কাউন্সিলে রয়েছেন শুধু মনোনীত লোক, যাদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের বা রয়েছেন পদাধিকার বলে।
দীর্ঘ লালিত স্বাধিকারে বারবার হস্তক্ষেপের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় হারিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক স্বাভিমান ও তার স্বকীয় ঐতিহ্য। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যবসিত হয়েছে একটি সরকারী দপ্তরে।
এই পরিস্থিতিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি যে শুধু বিধি মেনে পূর্ণসময়ের উপাচার্য দাবি করছে তাই না, তার সঙ্গে চাইছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ও তার স্বাধিকারের পুনরুজ্জীবন।“

