আমাদের ভারত, ১৮ নভেম্বর: তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কিনে ফেললেন লটারির টিকিট। সম্প্রতি তৃণমূলের জেলা ও ব্লক কমিটির মধ্যে সমন্বয় রক্ষার জন্য পূর্ব মেদিনীপুরে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণালকে। শুক্রবার সকালে সেখানেই প্রাতঃভ্রমণ বের হন তিনি। এরপর লটারির দোকানে গিয়ে টিকিট কেনেন। নিজেই সেই ছবি পোস্ট করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। সেটা নিয়ে তোপ দেগেছেন নেটনাগরিকদের একাংশ।
একটি সংবাদ চ্যানেলের এই খবর সামাজিক মাধ্যমে আসার পর দু’ঘন্টায় লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ৭০২, ১৮৮ ও ২৬। মুস্তাক মুন্সি লিখেছেন, “শিক্ষা, চাকরি, কর্মসংস্থান শেষ করে যুব সমাজকে লটারি জুয়ার দিকে ঠেলে দিয়ে চিটফান্ডের থেকেও ভয়ানক খেলায় নেমেছে এই সরকার।“ সন্দীপ বেলেল লিখেছেন, “চুরির টাকা শেষ তাই একবার…..নম্বর অবশ্যই লাগবে যেহেতু ছিঃএমসির স্টিকার লাগানো আছে যে।”
প্রাণগোপাল মুখার্জি লিখেছেন, “চালাকি হতে পারে। হয়ত দু নম্বরি টাকা এক নম্বরি করার চেষ্টা!” প্রসেনজিৎ ঘরাই লিখেছেন, “সারদার চুরির টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া।“ রিপন বাগচি লিখেছেন, “পার্থক্য একটাই। একজন লটারি কেটেছিল চুপি চুপি। আর অন্যজন কাটছে খোলাখুলি।”
প্রসন্ন মিত্র লিখেছেন, “লটারি কাটার কী দরকার,“ যেদিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সেদিনই তো বড়ো লটারি পেয়ে গেছেন!“ অমিতাভ গুপ্ত লিখেছেন, “এরও লটারি কেস আছে বলেই মনে হয়, তাই টিকিট কেনার নাটক করছে।“ নির্মল ঘোষ লিখেছেন, “শাক দিয়ে মাছের আঁশটে গন্ধ ঢাকতে পারবেন না কুণালবাবু।”

