রাজেন রায়, কলকাতা, ৩০ অক্টোবর: ২০২০ সালে করোনা অতিমারীর আতঙ্কের পরিবেশ কিছুটা শিথিল হয় ২০২১ সালের পুজোর মরসুমে। তবে গত বছরের মত চলতি বছরেও বাজি নিষিদ্ধ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশে বাজি বিক্রি এবং পোড়ানো বন্ধ করতে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি কালীপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের পরিকল্পনাও করে ফেলল রাজ্য প্রশাসন।
নবান্নের তরফে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোভিড বিধি মেনে কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জন করতে হবে। ৫ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে করতে হবে কালীপুজোর বিসর্জন। ১৪ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে করতে হবে জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জন। এর জন্যে জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় মিটিং করার নির্দেশ। স্থানীয় থানার সঙ্গে সমন্বয় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন করতে হবে। বিসর্জনের দিন স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে প্রশাসনকে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব রকম ব্যবস্থা নিতে হবে। পুজোর সময়ে যাতে নাশকতামূলক ঘটনা না ঘটে তার জন্য কড়া নির্দেশিকা।
প্রসঙ্গত, এর আগেই কালী পুজোয় রাত্রিকালীন বিধি নিষেধে ছাড় দিয়েছিল রাজ্য সরকার। উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি, বারাসত থেকে মধ্যমগ্রামে প্রত্যেক বছর বিসর্জনে বিপুল জনসমাগম হয়। একই সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পুজো এবং বিসর্জনেও বিপুল জনসমাগম হয় হুগলির চন্দননগরে। এর মধ্যে রবিবার থেকে নবান্নের সবুজ সংকেত পেয়ে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন। ফলে কালীপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোয় যাতে সংক্রমণ আর বৃদ্ধি না পায়, তার জন্য ভাসানের দিনক্ষণেও কড়াকড়ি বজায় রাখল রাজ্য প্রশাসন।

