আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ২ নভেম্বর: হাইস্কুলের ছাত্র বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এই স্কুলের বহু প্রাক্তন ছাত্র রয়েছেন দেশের বড় বড় পদে। তাছাড়া এবার এই স্কুল রাজ্যের সেরার তকমা পেয়েছে। তাই এবার কালি পুজোয় থিম হিসাবে তুলে ধরা হল রামপুরহাট হাইস্কুলকেই। মঙ্গলবার এই মণ্ডপের উদ্বোধন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়।
প্রায় অর্ধশতক আগে রামপুরহাট ডাকবাংলা পাড়ার কয়েকজন ক্রীড়াপ্রেমী কালি পুজোর সূচনা করেন। সে সময় উদয় সংঘ নাম দিয়ে পুজো শুরু করা হয়। কয়েক বছর পুজো চলার পরেই জায়গার অভাবে পুজো বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেই শম্ভু সিংহ, স্বপন রায়, সমীরণ ঘোষদের মতো কয়েকজন ফুটবলার ডাকবাংলা প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন নাম দিয়ে ফের পুজো শুরু করেন। এরপরেই পুজোয় জাঁকজমক বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। কখনও রাজস্থানের নাটমন্দির, কখন আবার বাহুবলি, মায়াপুরের মন্দিরের থিম গড়ে বীরভূম জেলায় আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পুজো কমিটি। এবারের থিম রামপুরহাট হাইস্কুল ভবন।
পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা আব্বাস হোসেন বলেন, “আমি নিজে হাইস্কুলের ছাত্র। ১৯৮৬ সালে স্কুল প্রতিষ্ঠা হয়। বিধানসভার বর্তমান ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় হাইস্কুলের ছাত্র। তাছাড়া এই স্কুল এবার রাজ্যে সেরার তকমা লাভ করেছে। তাছাড়া পুজো করার জন্য হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর মাঠ ছেড়ে দেয়। তাই আমরা এবার হাইস্কুলকেই থিম হিসাবে বেছে নিয়েছি।। স্কুলের দোতলায় মায়ের মূর্তি রাখা থাকবে। দর্শনার্থীদের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে প্রতিমা দর্শন করতে হবে। সম্পূর্ণ কালো কলাই দিয়ে প্রতিমা গড়া হয়েছে। থাকছে চন্দন নগরের আলোকসজ্জা। এবারও আমাদের পুজো জেলায় আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।”
পুজো কমিটির সম্পাদক মিঠু চক্রবর্তী বলেন, “কোভিড বিধি মেনে দর্শনার্থীদের প্রতিমা দর্শন করতে হবে। মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক। মাস্ক ছাড়া কাউকে মণ্ডপের ভিতর ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে মণ্ডপে ঢোকার প্রবেশ পথে দর্শনার্থীদের হাতে স্যানিটাইজার ও মাস্ক দেওয়া হবে।”

