পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ নভেম্বর: বিগত বছরগুলির মতো এ বছরও পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ লাইনে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির উদ্যোগে শ্যামা মায়ের আরাধনায় ব্রতী হয়েছিলেন মাবুদ, আলতাফ, নজরুল, শ্যামল, সোমনাথরা। চারিদিকে বিদ্বেষের শিকার সমাজ। তাকে দূরে সরিয়ে রেখে নিয়মনিষ্ঠা সহকারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তুলে ধরতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ লাইনের আবাসিকবৃন্দ কালীপুজোর আয়োজন করে। উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্ত,
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির আহ্বায়ক বিজিতাশ্ব রাউৎ, জেলা কমিটির কনভেনর আব্দুল মাবুদ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ওয়েলফেয়ার কমিটির কনভেনর আব্দুল মাবুদ জানিয়েছেন, বিগত বছরগুলোর মতো এবারও নিয়মনীতি মেনেই সম্প্রীতির উৎসব পালিত হচ্ছে। এ বছর কালীপুজোর পরেরদিন প্রায় হাজার পাঁচেক মানুষকে অন্নকূট বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যায় পুলিশ আবাসিকদের নিয়ে নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই পুজোয় ধর্ম বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন সকলেই। পাশাপাশি বিগত বছরের মতো এ বছরও পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ আবাসনে নিষিদ্ধ হয় বাজি ফাটানো।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার আগেই এক বিশেষ নির্দেশে জানিয়েছিলেন, জেলার খড়্গপুর, মেদিনীপুর ও ঘাটাল সহ যেখানে যেখানে ছোটো বড় পুলিশ আবাসন রয়েছে তার চৌহদ্দির মধ্যে শব্দবাজি পোড়ানো বা ফাটানো যাবে না। শব্দবাজি জেলার সর্বত্র নিষিদ্ধ। আর পুলিশ লাইনের পুজোও এই নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ।

