আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১২ জুন: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় “যসে” ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি ও “অক্সফাম”। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রতিবছরই বেড়েই চলেছে। ঘূর্ণিঝড় যসের আঘাতে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্রতীরবর্তী জেলাগুলিতে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। একে ‘করোনা’র প্রকোপ তার উপর যসের আঘাতে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে কাজলা জনকল্যাণ সমিতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। এই কর্মযজ্ঞে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে জাতীয় স্তরের সংস্থা ‘অক্সফার্ম’।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর ২ নং ব্লকের কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ পুরুষোত্তমপুরের আরকবনিয়া, সৌলা ও দাদনপত্রাবড়ের পরিবারগুলির মধ্যে ৩৫০টি পরিবারকে রেশন সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। ৩৫০টি পরিবারকে যে রেশন সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে তারমধ্যে ছিল প্রতিটি পরিবারের জন্য ২৫ কেজি চাল, আটা ৫ কেজি, ডাল ৩ কেজি, তেল ১ লিটার, সোয়াবিন ১ কেজি, লবন ১ কেজি, হলুদ গুঁড়ো ২ প্যাকেট এবং লঙ্কা গুঁড়ো ২ প্যাকেট, ৩৫০টি স্বাস্থ্য কিট তুলে দেওয়া হয়। এই স্বাস্থ্য কিটের সঙ্গে ছিল মাস্ক ৬টি, বালতি ২টি, মগ ১টি, সাবান ৮পিস, বাসন মাজা সাবান ৮টিও স্যানিটারি ন্যাপকিন ৬ প্যাকেট।

আমফানের ফলে এলাকায় ‘অক্সফাম’ এর সহযোগিতায়
কাজলা জনকল্যাণ সমিতি করোনা মোকাবিলায় ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে। এই কর্মসূচিকে সাফল্য মন্ডিত করার জন্য কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক শ্রী স্বপন পন্ডা মহাশয় অক্সফাম সংস্থাকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই কর্মসূচিকে সঠিকভাবে রূপায়ণ করার জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এই রেশন সামগ্রী ও স্বাস্থ্য কিট বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্টেটআইএজির কনভেনর অলক ঘোষ, কোঅর্ডিনেটর দেবজ্যোতি চক্রবর্তি, কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি আকবর আলি খান, সাধারণ সম্পাদক শ্রী স্বপন পন্ডা, কমিটির সভাপতি নারায়ণ জানা, ২ নম্বর মৎস্য খুঁটির সম্পাদক জনমেঞ্জয় দলুই, গ্রাম কমিটির সভাপতি নারায়ণ জানা, ১ নং মৎস্য খুঁটির সভাপতি অন্নু আলী খান, দাদানপত্র গ্রামের সদস্য চায়না শ্যামল প্রমুখ।

