আমাদের ভারত, ২০ ডিসেম্বর: প্রাথমিক স্কুলে ৩০ হাজারেরও বেশি শিক্ষকের চাকরি এবার প্রশ্নের মুখে। ওই শিক্ষকদের নিয়ম মেনে নিয়োগ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই প্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন মামলাকারীদের দেওয়া ১৩৯ জনের নম্বর মিলিয়ে দেখতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। আগামী ১০ জানুয়ারি ফের মামলাটির শুনানি হবে।
প্রাথমিকে চাকরির দাবিতে প্রিয়াংকা নস্কর সহ ১৪০ জন হাইকোর্টে মামলা করেন। মামলাকারীরা সকল অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী। তাদের আইনজীবী তরুণ জ্যোতি তিওয়ারির বক্তব্য, মামলাকারীদের থেকে কম নম্বর পেয়েও চাকরি দেওয়া হয়েছে অনেককে। তাঁর অভিযোগ, ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্যানেলে ৮২৪ জনের নাম রয়েছে। মামলাকারীরা ইন্টারভিউ না দিয়ে তাদের থেকে বেশি নম্বর পেয়েছেন। ১৩৯ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে, চাকরি পেয়েছেন এমন অপ্রশিক্ষিতদের থেকে যাদের নম্বর বেশি।
যদিও তরুণজ্যোতির দাবি, ৩০ হাজারেরও বেশি এমন প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়েছে যাদের নম্বর
মামলাকারীদের থেকে কম। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ১৩৯ জনের তালিকাটি খতিয়ে দেখার জন্য পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার মন্তব্য, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৩০ হাজার শিক্ষকের চাকরি প্রশ্নের মুখে পড়বে, আর এই নিয়োগ বেআইনিভাবে হলে চাকরি বাতিল করবে আদালত।
আইনজীবী তরুণজ্যোতির আরও দাবি, নদিয়ার তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার অডিও প্রকাশ্যে এসেছে যেখানে চাকরির পেছনে আর্থিক লেনদেন কাজ করেছে বলে অভিযোগ।

