ঘূর্ণিঝড়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ঝাড়গ্রাম জেলা

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২৬ মে: ঘূর্ণিঝড় যসের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে যতটা সতর্ক ছিল ঝাড়গ্ৰাম জেলা প্রশাসন। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ততটা তান্ডব দেখাতে পারেনি ঘূর্ণিঝড়। জেলায় বুধবার ভোর রাত থেকে অনবরত ঝোড়ো হাওয়া সারাদিন বয়ে যাওয়ার ফলে বেশকিছু জায়গায় গাছপালা এবং মাটির বাড়ি ভাঙ্গার খবর পাওয়া গেছে। নষ্ট হয়েছে চাষিদের চাষের ফসল। তবে ঝাড়গ্ৰাম জেলার নয়াগ্ৰাম, গোপীবল্লভপুর ১ ও ২ ব্লক, সাঁকরাইল ব্লকে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বেশি থাকলেও সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে সাঁকরাইল ব্লকের। ব্লকের রোহিনী অঞ্চলের ধীতপুর গ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মী সিং’য়ের বাড়ি ঝড়ে ভেঙ্গে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সঙ্গে এলাকার প্রচুর গাছ ও ডালপালা ভেঙ্গে বেশ কিছু রাস্তা প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় এনডিআরএফ কর্মীরা গাছ সরানোর কাজ শুরু করেছেন।

এছাড়া গোপীবল্লভপুর ২ নং ব্লকের বাহারুনাতে একটি ইলেকট্রিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়েছে। খবর পেয়ে বেলিয়াবেড়া থানার ওসি বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি রাস্তার উপর থেকে তড়িঘড়ি সরানোর ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও আশকোলা ও চনাবেড়িয়া গ্ৰামের রাস্তার ওপর ভেঙ্গে পড়ে গাছ, রাস্তা পরিষ্কারের কাজে হাত লাগালেন বেলিয়াবেড়া থানার সিভিক ভলান্টিয়ার্সরা।

অন্যদিকে গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের শ্যামসুন্দরপুর রাস্তার উপর ভেঙ্গে পড়েছিল বৈদ্যুতিক খুঁটি। এমনকি বেশ কিছু জায়গায় গাছ পড়ে রয়েছে। নয়াগ্রাম ব্লকেরও বেশ কিছু জায়গায় গাছ পড়ে আছে। এছাড়া ঝাড়গ্রামেও বেশ কিছু জায়গায় গাছ পড়ে আছে। প্রশাসন সেই সব গাছগুলো কেটে রাস্তা পরিষ্কার করতে শুরু করেছে। নদী তীরবর্তী এলাকা ও যাদের কাঁচা বাড়ি আছে তাদের আগেই ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নেওয়ার ফলে প্রাণ হানির কোনও ঘটনা ঘটেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *