পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ নভেম্বর: জঙ্গলমহলের একমাত্র আয়ুষ হাসপাতালে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ইনডোর পরিষেবা চালু হতে চলেছে। অষ্টম আয়ুর্বেদ দিবসে এমনটাই ঘোষণা করলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের আয়ুষ হাসপাতালে অষ্টম আয়ুর্বেদ দিবস উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সহকারি স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ দত্ত, ডিস্ট্রিক্ট মেডিক্যাল অফিসার (আয়ুষ) রমেন কুমার বর্মন সহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের আয়ুর্বেদ এবং হোমিওপ্যাথির ডাক্তাররা।
কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অর্থ সাহায্যে (৬০ শতাংশ কেন্দ্রের, ৪০ শতাংশ রাজ্যের) পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কুইকোটা এলাকায় ২০১৯ সালে আয়ুষ হাসপাতালটি গড়ে ওঠে। জঙ্গলমহলের একমাত্র আয়ুষ হাসপাতাল তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ১৮ কোটি টাকা। রোগী ভর্তি রেখে আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করার কথা ছিল হাসপাতালে। যদিও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শুরুর আগেই সেটিকে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে কাজে লাগানো হয়েছিল। করোনার পর হাসপাতালের আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথি এবং সম্প্রতি যোগার আউটডোর চালু হলেও প্রতিশ্রুতিমতো ইনডোর পরিষেবা চালু হয়নি আজও। প্রয়োজনীয় ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীও নিয়োগ হয়নি এখনো। জেলার সহকারি স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ দত্ত বলেন, খুব শীঘ্রই কর্মী নিয়োগ করা হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই যাতে রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা করা যায় সেই চেষ্টা চলছে। আশা করছি সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।

ডিস্ট্রিক্ট মেডিক্যাল অফিসার (আয়ুষ) রমেন কুমার বর্মন বলেন, গত কয়েক বছরে আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। আয়ুষ হাসপাতালের আউটডোরে ভিড় বাড়ছে রোগীর। শীঘ্রই যাতে ইন্ডোর পরিষেবা চালু করা যায়, আমরা সেই চেষ্টা করছি। তাঁর সংযোজন, আয়ুর্বেদ পদ্ধতি মেনে রোগীর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য একটি ল্যাবের প্রয়োজন। সেটির জন্য আমরা স্বাস্থ্য দপ্তরে আবেদন জানিয়েছি। আশা করছি শীঘ্রই হাসপাতালে ল্যাবের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারব।

