আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২৯ জুলাই: এক যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টা, বাধা দিলে যুবতীকে চা বাগানের কলম ছুরি দিয়ে আঘাত। পরবর্তীতে ওই যুবতীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় বিচারাধীন অভিযুক্ত নরেশ মাহালির শুক্রবার সাজা হল। প্রায় পাঁচ বছর পর এ দিন অভিযুক্তের সাত বছরের সাজার নির্দেশ দিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন জজ থার্ড কোর্টের বিচারক পীযুষ ঘোষ। জরিমানা করা হয়েছে।
২৫ অক্টবর ২০১৬ সালে ডুয়ার্সের নাগরাকাটার চাংমারি চা বাগানে সুরেশ মাহালির বাড়িতে পড়শি এক যুবতী এসেছিলেন। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় প্রায় দিনই যাতায়াত করত ওই যুবতী বলে দাবি। সেই সময় সুরেশের ভাই নরেশ মাহালি বাড়িতে এসে ওই যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। বাধা দিলে চা বাগানের কলম ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে যুবতীর উপর। ওই যুবতী গুরুতর জখম অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরের দিন অভিযুক্ত নরেশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এতদিন কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বিচারাধীন বন্দি ছিল নরেশ।
সরকারি আইনজীবী পিন্টু দেব বলেন,”প্রায় পাঁচ বছর বিচার চলার পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক পীযুষ ঘোষ। মোট আটজন স্বাক্ষী ছিলেন। চিকিৎসক, পুলিশ ও গ্রামবাসীরা স্বাক্ষী দিয়েছেন। শুক্রবার সাত বছরের সাজার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। সঙ্গে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সাজার নির্দেশ দিয়েছেন।”

