আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, বীরভূম, ২৪ মার্চ: সাত সকালে নিজের চালু করা ট্রেনে চড়ে যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন সিউড়ির সম্ভব্য বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। যাত্রীদের আবদারে খেলেন চা।

কলকাতা সহ বিভিন্ন শহরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আরও ট্রেনের দাবি শুনলেন যাত্রীদের কাছ থেকে।সিউড়ির ভূমিপুত্র সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০২১ সালে সিউড়ি বিধানসভা থেকে নির্বাচনে লড়াই করে তৃণমূলের বিকাশ রায় চৌধুরীর কাছে ৭৩২০ ভোটে পরাজিত হন। হেরে গেলেও হারিয়ে যাননি জগন্নাথবাবু। এলাকার পিছিয়ে পড়া রেল যোগাযোগের উন্নতির চেষ্টা করেছেন। বেশ কয়েকটি ট্রেনের স্টপেজের পাশাপাশি সাত সকালে সিউড়ি থেকে শিয়ালদা যাওয়ার এক্সপ্রেস ট্রেনের দাবিতে সিউড়ির বাসিন্দাদের হয়ে দিল্লিতে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ২০২২ সালের ১ আগস্ট যাত্রা শুরু করে সিউড়ি- শিয়ালদা মেমু এক্সপ্রেস। সিউড়ির মানুষ আবার এই ট্রেনকে জগন্নাথ এক্সপ্রেস বলে রসিকতা করেন। সেই ট্রেনেই মঙ্গলবার যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জগন্নাথবাবু। সকাল ৫টা ১০ মিনিটে ছাড়া ওই ট্রেনে গুটি কয়েক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে টিকিট কেটে ট্রেনে চড়েন। যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন। কিছু যাত্রী বিভিন্ন শাখায় ট্রেন বাড়ানোর দাবি জানান। এরপরেই এক যাত্রী এক কাপ লেবু চা বাড়িয়ে দিয়ে খাওয়ার আবেদন জানান।

জগন্নাথবাবু বলেন, “এই ট্রেনে আমি প্রথম চাপলাম। কাউকে ভোট দেওয়ার আবেদন করিনি। দুবরাজপুর পর্যন্ত সফরকালে শুধুমাত্র শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম। যাত্রীরা এই ট্রেন পেয়ে খুশি। ট্রেনের অধিকাংশ সিট ভর্তি ছিল। যাত্রীরা কিছু ট্রেনের দাবি জানালেন। কিন্তু আমি তো একজন পঞ্চায়েত সদস্যও নই। তবু মানুষের ভালোবাসা নিয়ে তাদের দাবি রেলমন্ত্রীকে জানাবো। সব শেষে সাত সকালে যাত্রীদের কাছ থেকে ভালোবাসা পূর্ণ লেবু চা খেয়ে তৃপ্তি পেলাম।”

