সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৪ সেপ্টেম্বর: নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনে মূল ভাড়াটে খুনির ফের চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল পুরুলিয়া জেলা আদালত। ৩ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে সিবিআইয়ের তদন্তকারি দল। তার বিরুদ্ধে খুন ও অস্ত্র আইন ছাড়াও একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করে সিবিআই। ধৃত মূল ভাড়াটে খুনির নাম শেখ জাবির আনসারি। তার বাড়ি ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার পেংখনারায়ণপুর গ্রামে। ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে রাখার পর আজ কড়া পুলিশি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে তাকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে নিয়ে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৩ মার্চ ঝালদা-বাঘমুণ্ডি পথে গোকুলনগর গ্রামের কাছে হাঁটতে বেরিয়ে খুন হন ঝালদা পুরসভার দু’নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চার বন্ধু। এই ঘটনায় প্রথমে রাজ্য পুলিশের সিট তদন্ত শুরু করে। দীপক কান্দু, নরেন কান্দু, কলেবর সিং ও আশিক খানকে গ্রেফতার করে। তারপরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত ভার নেয়। তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডের কিনারায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের স্কেচ এক্সপার্টরা পেনসিল দিয়ে এঁকে ‘ক্রাইম ম্যাপ’ তৈরি করে। সত্যবান পরামানিক নামে একজনকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পাঁচ মাস তদন্ত ভার পেয়েও দুই ভাড়াটে খুনি অধরা ছিল। শেষ পর্যন্ত সাফল্য পায় সিবিআই। ধৃতকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে বলে দাবি করেন নিহত তপনের ভাইপো মিঠুন কান্দু।
আজ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই জাবিরকে জেরা করে আরও বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে অনুমান করছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

