Sukanta Majumder সংক্রামক ব্যাধির মতো জেলার পর জেলায় ছড়াচ্ছে, শোচনীয় অবস্থা হবে পশ্চিমবঙ্গের,” বললেন সুকান্ত মজুমদার

শ্রীরূপা চক্রবর্তী, আমাদের ভারত, ১২ জুন: হাওড়া, মুর্শিদাবাদের পর নদিয়াতেও ছড়ালো বিক্ষোভের আগুন। সেখানে বেথুয়াডহরি স্টেশনে ঢুকে ট্রেন ভাঙ্গচুর করেছে বিক্ষোভকারীরা। আহত হয়েছেন রেলযত্রীরা, বন্ধ হয়েছে ওই শাখার ট্রেন চলাচল। এই ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়াচ্ছে এই বিক্ষোভ। অথচ রাজ্য সরকার ধৃতরাষ্ট্র হয়ে বসে আছে। তার মতে যদি এই মুহূর্তে আধা সামরিক বাহিনী না নামানো হয় তাহলে রাজ্যের পরিস্থিতি শোচনীয় হবে।

হাওড়া মুর্শিদাবাদের পর অশান্তি ছড়িয়েছে নদিয়াতে। সেখানেও তান্ডব চলেছে। বেথুয়াডহরি স্টেশনে রানাঘাট–লালগোলা প্যাসেঞ্জার ট্রেনে ভাঙ্গচুর চালানো হয়েছে। ঘটনার জেরে আহত হয়েছে যাত্রীরা। বন্ধ হয়েছে ওই শাখার ট্রেন চলাচল। নবি বিতর্কের প্রতিবাদে একটি মিছিল বের হয়েছিল। বেথুয়া ডহরির সেই মিছিল বাজারে ঢুকে যায় এবং রাস্তার পাশে বেশকিছু বাড়ি ও দোকানে ভাঙ্গচুর চালায়। এরপরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। এরপরই মিছিলের একটি অংশ স্টেশনে ঢুকে হামলা চালায়।

নদিয়ার ঘটনা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “একের পর এক জেলায় সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে এটা, অথচ রাজ্য সরকার ধৃতরাষ্ট্রের মতো বসে আছে।” তাঁর দাবি এই মুহূর্তে রাজ্য সরকারের উচিত কেন্দ্রের সাথে কথা বলে আধা সামরিক বাহিনী নামানো। না হলে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা শোচনীয় হবে।”

বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার হাওড়া ঘটনার পরেই সেনা নামানোর দাবি তুলেছিলেন। গতকাল হাওড়া ও কলকাতার একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ, অবরোধ, আগুন লাগানো, ইট ছোড়া, বাড়ি ও দোকান ভাঙ্গচুর করা হয়েছে। বিজেপির কার্যালয়েও ভাঙ্গচুরে মতো ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডব হাওড়ার পর মুর্শিদাবাদেও হয় এরপর রবিবার বিকেলে নদিয়াতে।

বিজেপির অভিযোগ বিক্ষোভের এই আগুন থামানোর যথাপোযুক্ত চেষ্টা করছে না রাজ্য সরকার। তাদের দাবি, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা নামানো প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই শনিবার সন্ধ্যায় সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে সেনা নামানোর দাবিতে রাজভবনে গিয়েছিল বিজেপির প্রতিনিধি দল। তারা রাজ্যপালকে এই বিষয়ে মমতা সরকারের সাথে কথা বলার আবেদন জানিয়েছিলেন। এরপর এই দাবিতে রবিবার গান্ধী মূর্তি পাদদেশে ধর্নায় বসেন সুকান্ত মজুমদার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *