ডাকঘরে টাকা রাখাও নিরাপদ নয় এখন! গঙ্গারামপুরের সুকদেবপুর ডাকঘরের ঘটনা শুনলে আঁতকে উঠবেন আপনিও

পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ২০ অক্টোবর: ডাকঘরে টাকা রাখছেন? কি ভাবছেন নিরাপদে রয়েছেন? গঙ্গারামপুরের সুকদেবপুরের ঘটনা রীতিমতো চমকে দিয়েছে গোটা গ্রামের বাসিন্দাদের; যা নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় গ্রামের শতাধিক কৃষক পরিবার। তাদের অভিযোগ, ডাকঘরে টাকা রাখবার পরেও সরকারী খাতায় জমা হয়নি কোনও গ্রাহকের টাকা। একজন বা দুজন নয়, গ্রামের শতাধিক বাসিন্দাদের সাথেই হয়েছে এমন মারাত্মক প্রতারণা।

খোদ ডাকঘরের মতো একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে গরিব কৃষকদের লক্ষ লক্ষ টাকা এভাবে আত্মসাত হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কৃষকরা। ঘটনা জানিয়ে বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসের সুপারিন্টেন্ডেন্টের দ্বারস্থ হয়েছেন গ্রামের দরিদ্র কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, সুকদেবপুর পোস্ট অফিসে কর্মরত সায়ন্তন বসাক নামে ওই সরকারি কর্মীই তাদের সাথে এমন মারাত্মক প্রতারণা করেছে। যিনি বর্তমানে আলিপুরদুয়ার পোস্ট অফিসে কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, শুকদেবপুর এলাকার গরিব কৃষকরা তাদের সঞ্চিত অর্থ স্থানীয় পোস্ট অফিসেই জমা করতেন; যে পোস্ট অফিসে কর্মরত ছিলেন বালুরঘাটের বাসিন্দা সায়ন্তন বসাক নামে এক যুবক। বর্তমানে তিনি চাকরি সুত্রে স্থানান্তরিত হয়েছেন আলিপুরদুয়ার পোস্ট অফিসে। তার বিরুদ্ধেই গ্রামের গরিব কৃষকরা লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, ডাকঘরে সঠিক সময়ে তারা টাকা জমা করলেও সরকারি খাতায় তাদের কোনও টাকা দেখানো হচ্ছে না; যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে এদিন পোস্ট সুপারিন্টেন্ডেন্ট এর দ্বারস্থ হয়েছেন কৃষকরা। যদিও এনিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসের সুপারিন্টেন্ডেন্ট।

গোপাল দেবসিংহ, ঠেগলি রায় নামে সুকদেবপুর এলাকার দুই কৃষক বলেন, টাকা জমার পরেও তাদের একাউন্টে টাকা নেই। ডাকঘরের মতো জায়গায় এমন ঘটনা তারা ভাবতেও পারছেন না। সেখানে কর্মরত সায়ন্তন বসাক নামে ওই সরকারি কর্মীই তাদের সাথে এই আর্থিক প্রতারণা করেছে। যার আনুমানিক পরিমান প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। তারা চান তাদের টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *