Punjab congress: পাঞ্জাবে কংগ্রেসের এই টালবাহানার জন্য সুবিধা পাবে আইএসআই ও পাকিস্তান, বিস্ফোরক কপিল সিব্বল

আমাদের ভারত, ২৯ সেপ্টেম্বর:
একের পর এক নাটকীয় মোড় দেখা যাচ্ছে পাঞ্জাবের রাজনীতিতে। আর এই রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য কংগ্রেসের আভ্যন্তরীণ কলহকে দায়ী করে রীতিমত তোপ দেগেছেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। তাঁর সরাসরি অভিযোগ, পাঞ্জাবের মতো দেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যে এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি সেটা আসলে আইএসআই ও পাকিস্তানকে সুবিধা করে দেওয়া। যা কিনা গোটা দেশের কাছে বিপদজনক।

প্রবীণ এই রাজনৈতিক নেতার মতে, “কোনও সীমান্তবর্তী রাজ্য কংগ্রেসের এই ধরনের সমস্যায় আই এস আই ও পাকিস্তানের হাত শক্ত করবে। আমরা পাঞ্জাবের ইতিহাস জানি এবং সেখানে চরমপন্থা কিভাবে মাথা তুলেছে সেটাও জানি। কংগ্রেসকে এটা নিশ্চিত করতেই হবে যেন তারা নিজেদের মধ্যে একতা বজায় রাখতে পারে।‌” কংগ্রেসের এই অস্থিরতার জন্য কপিল সিব্বল দলের কোনো স্থায়ী সভাপতি না থাকাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “কংগ্রেসে এই মুহূর্তে কোনও নির্বাচিত সভাপতি নেই। আমরা জানি না এই সিদ্ধান্তগুলিকে নিচ্ছেন? কেন সবাই দল ছাড়ছে? আমাদের কি দেখা উচিত নয়, সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে? যারা নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তারাই দল ছেড়ে দিয়েছেন। আর যারা নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ নন তারা কিন্তু এখনও দলের রয়ে গিয়েছেন।

গত বছরই কংগ্রেসে দ্রুত সভাপতি নির্বাচনের জন্য যে ২৪ জন নেতা চিঠি লিখেছিলেন তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন কপিল সিব্বল। সে প্রসঙ্গ তুলে প্রবীন নেতা বলেন, “আমরা জি-২৩, জি হুজুর -২৩ নয়, আমরা ইস্যুগুলো তুলে ধরবো।

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদে আনা হয়েছিল নভজোৎ সিং সিধুকে। তার কিছুদিন পর মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন। এর পেছনে সিধুকেই দায়ি করা হচ্ছে। এরপর আবার সিধুও নাকি সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আর এই ঘটনা কংগ্রেসের বড়সড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ অমরিন্দরের পর সিধু ছিলেন পাঞ্জাব কংগ্রেসের জনপ্রিয় নেতা। আর সিধুর ক্ষোভ যদি সামাল দেওয়া না যায় তাহলে পাঞ্জাবে বড়সড় ভাঙ্গনের মুখে পড়বে কংগ্রেস বলে মত রাজনৈতিক মহলের। এই পরিস্থিতিতে আবার দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন প্রবীন নেতা কপিল সিব্বল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *