আমাদের ভারত, হাওড়া, ২৪ জুন: শনিবার ২৬ জুন ভরা কোটাল। ইতিমধ্যে সমস্ত জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করেছে নবান্ন। কোটালে জলস্ফিতির আশঙ্কায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে সেচ দফতরকে। নদী বাঁধগুলির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার পাশাপাশি বালির বস্তা মজুত করতে বলা হয়েছে। আর নবান্নের নির্দেশ পাওয়ার পরেই বৃহস্পতিবার হাওড়া জেলার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলেন সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। এদিন দুপুরে তিনি উলুবেড়িয়া ১ নং ব্লক অফিসে সেচ মন্ত্রী জেলার বিধায়ক এবং বিভিন্ন দফতরের প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন।
এদিনের এই বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের মন্ত্রী পুলক রায়, সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, হাওড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাবেরি দাস, সহকারী সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য, হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সৌম্য রায়, শ্যামপুরের বিধায়ক কালিপদ মণ্ডল, বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন, আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল, পাঁচলার বিধায়ক গুলশান মল্লিক, সাঁকরাইলের বিধায়ক প্রিয়া পাল, জগৎবল্লভপুরের বিধায়ক সীতানাথ ঘোষ, ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ, উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক অরিন্দম বিশ্বাস, উলুবেড়িয়া ১ নং ব্লকের বিডিও নিলাদ্রী শেখর দে সহ সেচ দফতরের আধিকারিকরা।

এদিন বৈঠকের শেষে সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, শনিবার কোটাল কি আঘাত হানবে সেটা আমরা কেউ জানি না। সেই কারণে ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত করা হয়েছে। প্রয়োজনে নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। এদিন তিনি বলেন, মূলত ভরা কোটালে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ছাড়াও বীরভূম এবং হুগলীর একটা অংশে প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণে সেচ দফতর সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছে।
কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ প্রসঙ্গে সেচ মন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ চাইছেন। কাজ শুরু হয়েছে পযায়ক্রমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তায় নদী বাঁধ সংস্কারের যে কাজ শুরু হয়েছে আগামী একবছর পর আমতার উদয়নারায়ণপুরের মানুষ বন্যার আশঙ্কা থেকে রেহাই পাবেন।

